মসজিদে হামলা চালাতে গিয়ে বদলে যাওয়া সাবেক মার্কিন সেনার গল্প

A
‘স্ট্রেঞ্জার অ্যাট দ্য গেট’ তথ্যচিত্র অস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে
 
‘স্ট্রেঞ্জার অ্যাট দ্য গেট’ তথ্যচিত্র অস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে
 
ছবি: টুইটার

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যে ইসলামিক সেন্টার অব মানসির কয়েকজন সদস্য তাঁকে মসজিদের দিকে হেঁটে আসতে দেখছিলেন। দেখেই তাঁরা বুঝে গিয়েছিলেন, যিনি হেঁটে আসছেন, তিনি স্বাভাবিক নেই। কোথাও গরমিল আছে।

স্বাস্থ্যবান দীর্ঘকায় ব্যক্তিটি মসজিদের দিকে মাথা নিচু করে আসছিলেন। রাগে মুখ লাল হয়েছিল তাঁর। ইন্ডিয়ানার মানসি শহরের মানসি ইসলামিক সেন্টারের মসজিদে শুক্রবার ভিড় ছিল অনেক। সেই ভিড়ের মধ্যেই দাঁড়িয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। তাঁর ডান হাতের বাহুতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর উল্কি ইউএসএমসি আঁকা ছিল। আর বাঁ হাতে আঁকা ছিল মাথার খুলির উল্কি। তিনি বাইরে দাঁড়িয়েছিলেন।

তাঁর নামটি পরে জেনেছিলেন ইসলামিক সেন্টারের সদস্যরা। জেনেছিলেন, রিচার্ড ‘ম্যাক’ ম্যাককিনি নামের ওই ব্যক্তি হামলার পরিকল্পনা নিয়ে ঢুকেছিলেন মসজিদে। তিনি সাবেক মার্কিন নৌসেনা।

ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সময় ম্যাককিনি মুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব পোষণ করতে শুরু করেন। নিজের শহর মানসিতে ফেরার পর ম্যাককিনি দেখেন, সেখানে মুসলিমদের বসতি গড়ে উঠেছে। প্রাথমিক স্কুলে মুসলিম বাচ্চাদের সঙ্গে তাঁর সন্তানদের ক্লাস করতে হতো। সেটাও মেনে নিতে পারছিলেন না তিনি।

রাগ ও ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে ২০০৯ সালে ম্যাককিনি ইসলামিক সেন্টারে যান। সমবেত শত শত মুসলিমকে হত্যার জন্য তিনি মসজিদে বোমা হামলার পরিকল্পনা করেন। মসজিদে বোমা লুকিয়ে রাখার জায়গা খুঁজছিলেন ম্যাককিনি। তিনি বলেন, ‘আমি জনগণকে বলেছি, ইসলাম ক্যানসার। আর আমি অস্ত্রোপচার করে এই ক্যানসার সারাব।’

তাঁর নামটি পরে জেনেছিলেন ইসলামিক সেন্টারের সদস্যরা। জেনেছিলেন, রিচার্ড ‘ম্যাক’ ম্যাককিনি নামের ওই ব্যক্তি হামলার পরিকল্পনা নিয়ে ঢুকেছিলেন মসজিদে। তিনি সাবেক মার্কিন নৌসেনা।

ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সময় ম্যাককিনি মুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব পোষণ করতে শুরু করেন। নিজের শহর মানসিতে ফেরার পর ম্যাককিনি দেখেন, সেখানে মুসলিমদের বসতি গড়ে উঠেছে। প্রাথমিক স্কুলে মুসলিম বাচ্চাদের সঙ্গে তাঁর সন্তানদের ক্লাস করতে হতো। সেটাও মেনে নিতে পারছিলেন না তিনি।

রাগ ও ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে ২০০৯ সালে ম্যাককিনি ইসলামিক সেন্টারে যান। সমবেত শত শত মুসলিমকে হত্যার জন্য তিনি মসজিদে বোমা হামলার পরিকল্পনা করেন। মসজিদে বোমা লুকিয়ে রাখার জায়গা খুঁজছিলেন ম্যাককিনি। তিনি বলেন, ‘আমি জনগণকে বলেছি, ইসলাম ক্যানসার। আর আমি অস্ত্রোপচার করে এই ক্যানসার সারাব।’

তাঁর নামটি পরে জেনেছিলেন ইসলামিক সেন্টারের সদস্যরা। জেনেছিলেন, রিচার্ড ‘ম্যাক’ ম্যাককিনি নামের ওই ব্যক্তি হামলার পরিকল্পনা নিয়ে ঢুকেছিলেন মসজিদে। তিনি সাবেক মার্কিন নৌসেনা।

ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সময় ম্যাককিনি মুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব পোষণ করতে শুরু করেন। নিজের শহর মানসিতে ফেরার পর ম্যাককিনি দেখেন, সেখানে মুসলিমদের বসতি গড়ে উঠেছে। প্রাথমিক স্কুলে মুসলিম বাচ্চাদের সঙ্গে তাঁর সন্তানদের ক্লাস করতে হতো। সেটাও মেনে নিতে পারছিলেন না তিনি।

রাগ ও ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে ২০০৯ সালে ম্যাককিনি ইসলামিক সেন্টারে যান। সমবেত শত শত মুসলিমকে হত্যার জন্য তিনি মসজিদে বোমা হামলার পরিকল্পনা করেন। মসজিদে বোমা লুকিয়ে রাখার জায়গা খুঁজছিলেন ম্যাককিনি। তিনি বলেন, ‘আমি জনগণকে বলেছি, ইসলাম ক্যানসার। আর আমি অস্ত্রোপচার করে এই ক্যানসার সারাব।’

ম্যাককিনির সঙ্গে যা ঘটল

পরিকল্পনা অনুসারে এগোচ্ছিলেন ম্যাককিনি। তবে মসজিদে ঢোকার পর এমন কিছু ঘটে যায়, যা তিনি কখনো ভাবেননি। ভাবতে পারেননি, তিনি যাঁদের জীবন শেষ করে দেবেন বলে ভেবেছিলেন, তাঁরাই তাঁর জীবন বদলে দেবেন।

মসজিদে ম্যাককিনির সঙ্গে যা ঘটেছিল, তা ছিল নাটকীয়। যেন সিনেমার গল্প। আর তাই বলে কি ম্যাককিনির সেই গল্প নিয়েই বানানো হলো স্বল্পদৈর্ঘ্য তথ্যচিত্র (ডকুমেন্টারি) ‘স্ট্রেঞ্জার অ্যাট দ্য গেট’। ২০২২ সালে ট্রিবেকা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সিনেমাটি বিশেষ জুরি পুরস্কার জেতে।

সিনেমায় দেখানো হয়েছে, কী কারণে ম্যাককিনি মসজিদে হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে এলেন, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন। যুক্তরাষ্ট্রের সময় আজ রোববার ‘স্ট্রেঞ্জার অ্যাট দ্য গেট’ স্বল্পদৈর্ঘ্য তথ্যচিত্র ক্যাটাগরিতে অস্কার পুরস্কারের তালিকায় উঠবে। এর প্রযোজকদের একজন হলেন পাকিস্তানের নোবেলজয়ী অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাই

Comments