আসসালামুয়ালাইকুম, আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমি ও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে অনেক বেশি ভালো আছি,আলহামদুলিল্লাহ।আজকে আমি আপনাদের সাথে হাজির হলাম নতুন একটা বিষয় নিয়ে। আজকে আমি আলোচনা করবো
গত কয়েকদিন ধরে অনেক ঘোরাফেরা করেছি। যদিও সেটা শহরের কাছাকাছি ছিল বেশিরভাগ সময়। মাঝেমাঝে শহর থেকে একটু দূরে ও গিয়েছি। সময়টা বেশ ভালই কাটছে। দুই বন্ধু মিলে মাঝে মাঝেই উদ্দেশ্যহীন যাত্রা করছি। তবে আপনারা জানেন যখনই আমি ঘুরতে বের হই তখনই ভালো কিছু দেখলে সেটার ছবি তোলার চেষ্টা করি। এই কয়দিন ঘোরাফেরার সময়ে অনেক ছবি তুলেছি। এখন ছবি যে শুধু নিজের ভালোলাগা থেকে তুলি তা নয়। পোস্ট করার জন্যও ছবির প্রয়োজন হয়। সে কারণেও অনেক ছবি তোলা হয়। এখন আমি গত কয়েক দিনে তোলা আমার ছবিগুলোর ভেতর থেকে পছন্দের কয়েকটি ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।
সেদিন একটি জরুরী কাজে নানি বাড়ি গিয়েছিলাম। যখন সেখানে পৌঁছেছিলাম তখন সবে সাড়ে সাতটা বাজে। গ্রামের ভেতরে তখনো কুয়াশার আমেজ কাটেনি। নানি বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছে এই মেহগনি বাগানটা দেখতে পেলাম। সকালের হালকা কুয়াশায় বাগানটা কিছুটা ঝাপসা লাগছিলো। দৃশ্যটা দেখে ভালো লেগেছিল তাই ভাবলাম একটি ছবি তুলে নিই।
এই মেহেগনি বাগান পার হলে সামনে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ ছিল। সেখানে হঠাৎ করে খেয়াল করে দেখি এই বুনো লতার উপরে শিশির জমে আছে। এই ধরনের দৃশ্য দেখলে যে কারোরই ভালো লাগবে। যথারীতি আমারও দৃশ্যটা বেশ পছন্দ হলো। তাই সেটারও একটা ছবি তুললাম।
সেদিন সকালে হাঁটতে বেরিয়েছিলাম। হেঁটে ফেরার পথে হঠাৎ করে খেয়াল করে দেখি আমাদের পৌরসভার বিল্ডিং এর সামনে চমৎকার ফুলের বাগান করা হয়েছে। আমি এই রাস্তা দিয়ে প্রায়ই হাটাহাটি করি। তবে কখনো এই ফুলের বাগানটি সেভাবে চোখে পড়েনি। শীতের সকালে অসম্ভব সুন্দরভাবে সাজানো এই বাগানটি দেখে চমৎকার লেগেছিলো।
এই ছবিটি কয়েকদিন আগে মেলা থেকে তুলেছিলাম। আমি আমার মেয়েকে নিয়ে মেলায় গিয়েছিলাম। মেলায় প্রবেশের কিছুক্ষণ পরেই দেখতে পেলাম একজন বিক্রেতা বাচ্চাদের জন্য বিভিন্ন রকম বেলুন এবং খেলনা নিয়ে বসে আছে। তিনি কোন স্টল নেননি। তিনি মেলার রাস্তার পাশেই এভাবে বসে তার খেলনা বিক্রি করছিল। তবে খেয়াল করে দেখলাম তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিটা বাচ্চাই সেদিকে বেশ আগ্রহ নিয়ে তাকাচ্ছিলো।
এই ছবিটি ও মেলা থেকে তোলা। বাংলাদেশের প্রতিটা মেলায় এই ধরনের দোকান খুবই কমন। এখানে বিভিন্ন রকমের খাদ্য সামগ্রী পাওয়া যায়। তবে আমি খেয়াল করে দেখেছি এরা যে সমস্ত খাবার এখানে বিক্রি করছে। সেই খাবারগুলোর বাইরে দাম অনেকটাই কম। তারপরেও মেলায় আসলে প্রায় প্রত্যেকে এখান থেকে কিছু না কিছু কিনে থাকে।
এই ছবিটিও মেলা থেকে তোলা। আশা করি এই ছবিটি সবারই পরিচিত। কারণ গ্রাম বাংলার মেলা এই ধরনের দোকান ছাড়া চিন্তাই করা যায় না। আমার মনে হয় বাংলাদেশে এমন কোন মেলা হয় না যেখানে এই ধরনের খাদ্য সামগ্রীর দোকান থাকে না। যদিও এদের কাছ থেকে খাবার কেনার অভিজ্ঞতা আমার খুবই খারাপ।
উপরের ছবি দুটিতে মেলার দুটি স্টল দেখা যাচ্ছে। একটি স্টলে বাচ্চাদের খেলনা সাথে রান্নাঘরের ব্যবহার্য কিছু তৈজসপত্র দেখা যাচ্ছে। আরেকটি স্টলে মেয়েদের ব্যবহার্য সামগ্রী দেখা যাচ্ছে। এই ধরনের স্টল গুলিতে বাচ্চা এবং মহিলাদের ভিড় লেগেই থাকে। বিশেষ করে মহিলাদের পছন্দের স্টল হচ্ছে এইগুলি।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।

