বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

[source](https://images.app.goo.gl/mnw1T)
প্রিয় সাথীবৃন্দ,
আশা করি আপনারা সবাই আল্লাহর রহমতে অশেষ মেহেরবানীতে ভালো আছেন আমিও আপনাদের দোয়া এবং মহান আল্লাহতালার করুনাই ভালো আছি সুস্থ আছি। আজকে আমি অবৈধ অর্থ উপার্জন এবং ভোগ না করতে পারা নিয়ে কিছু কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই এই পোস্টটা আপনাদের সকলকে স্বাগতম এবং অভিনন্দন।
অবৈধ সম্পদ অধিকাংশ মানুষ উপার্জন করে থাকে। সে আশা সেই টাকা উপার্জন করে এবং ভোগ করে সবাই। তার ভোগ করা কখনো সম্ভব হয় না। এটা আমাদের ইসলামে কথা রয়েছে যে কেউ অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুললেও সে কখনোই ভোগ করতে পারবে না। ভোগ করবে অন্যজন।

[source](https://images.app.goo.gl/Ag89s)
আমাদের সমাজে যদি আমরা একটু তাকাই তবে দেখা যায় অবৈধ সম্পদ ছাড়া কেউ বড়লোক হতে পারে না। যে বড়লোক হয় যদি আমরা ভালোভাবে খোঁজখবর নেই লক্ষ করি তবে দেখা যায় ওই লোকটি অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছিল কোন এক সময়। তার ফলে সে এখন বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে যায়। কিন্তু সেই সম্পদ সে কখনোই ভোগ করতে পারে না। ভোগ করে তার ছেলে-মেয়ে আত্মীয়-স্বজন ইত্যাদি ইত্যাদি।

[source](https://images.app.goo.gl/3uNKJ)
কিন্তু যখন সে মারা যায় কবরে ঢুকে যায় তখন এই হিসাবগুলো অক্ষরে অক্ষরে তাকে দিতে হবে। আর এই অবৈধ সম্পদ অর্জনের জন্য জবাবদিহিতা কি করতে হবে যারা ভোগ করতেছে তাদের কোন দায় নাই তারা কোন জবাবদিহি করতে করবে না। যে সম্পদ অর্জন করেছিল অবৈধ ভাবে তাকিয়ে এর উত্তর দিতে হবে। তার এই অবৈধ সম্পদ অর্জনের অপরাধে তাকে জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করতে হবে।

[source](https://images.app.goo.gl/a5cF3)
এই অবৈধ সম্পদ যখনই অর্জন করে তখন সেটা অবশ্য কোন না কোন ব্যক্তির হক নষ্ট করে গড়ে তোলা হয়। যার হক নষ্ট করা হয় তাকেই তার নেকি দিয়ে দিতে হয় এবং সে তার নেকি নিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে আর তার পাপের বোঝা সে নিয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।
তাই আসুন আমরা নিজের জিন্দেগীতে নিজের জীবনকে অবৈধ সম্পদ হতে রক্ষা করি অন্যর হক নষ্ট থেকে বিরত থাকি আমি বাঁচি এবং আমার পরকালীন জিন্দেগীতে নিজেকে বাঁচায়। তাই আজকে হতে শপথ গ্রহণ করি যার সম্পদ ভোগ করেছি তাকে তার সম্পদ ফেরত দেই এবং আরো শপথ করি আজকে হতে আমি আর কোন প্রকার অবৈধ অর্থ উপার্জন করবো না। আজকের মত এখানেই শেষ করছি আল্লাহ হাফেজ।


