বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
প্রিয় সাথী বৃন্দ আজকে আমি সবচাইতে ভয়াবহ এবং বর্তমান বিশ্ব যার কাছে নাস্তানাবুদ হয়েছে সেই মহামারী করোনাভাইরাস নিয়ে এই পোস্ট এই পোস্টে আপনাদের সকলকে স্বাগতম।
আমরা প্রায় আড়াই বছর যাবত করোনাভাইরাস এর দাপট এবং বিশ্ব পরিস্থিতি লক্ষ করতেছি যে এই করোনাভাইরাস এর বিভিন্ন রকমের ভেরি এন্ড এবং চরিত্র দেখা যায় এর মধ্যে রয়েছে যেমনঃ ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়্যান্ট, ইউকে ভ্যারিয়্যান্ট, দক্ষিণ আফ্রিকার ভ্যারিয়্যান্ট, ব্রাজিল ভ্যারিয়্যান্ট ।
করোনা ভাইরাসের এছাড়াও হাজার-হাজার ভেরিয়েন্ট বিজ্ঞানীরা লক্ষ করেছেন সারাবিশ্বে এরকম হাজার হাজার করোনার ভেরিয়েন্ট ঘুরে বেড়াচ্ছে সংক্রমিত হয়েছে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন জাতি।
অধিকাংশ বিজ্ঞানীদের মত হল যে সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে করোনাভাইরাস এর বিভিন্ন রকমের পরিবর্তন হয়ে থাকে এটি কখনো একই রকম ক্যাটাগরিতে অবস্থান করেনা এরা বিভিন্ন রকমের রূপ ধারণ করে এবং বিভিন্ন আচরণ এরা প্রকাশ ঘটে থাকে।
বাংলাদেশে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআর-এর ভাইরোলজিস্ট তাহমিনা শিরিন বলছেন যে, করোনাভাইরাস হচ্ছে RNA ভাইরাস। এরকম একটি RNA ভাইরাস যখন বংশবৃদ্ধি করে তখন তাদের মধ্যে আপনা আপনি অনেক পরিবর্তন ঘটে থাকে বা লক্ষ্য করা যায়।
ভাইরাসের এই পরিবর্তনকে বলা হয়"মিউটেশন বা রূপান্তর,"
ভাইরাস প্রতিকূল পরিবেশ কে মোকাবিলা করার জন্য অর্থাৎ প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্য বা অভিযোজিত হওয়ার জন্য তার আচরণ বৈশিষ্ট্য বংশবৃদ্ধি ইত্যাদিতে তারা পরিবর্তন ঘটিয়ে থাকে আর এই পরিবর্তন ঘটানোর ক্ষমতা মহান আল্লাহতালা তাদেরকে দিয়েছেন।
অনেক সময় ভাইরাস প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্যও নিজেদের মধ্যে মে পরিবর্তন ঘটিয়ে থাকে তাকে বলে "সারভাইভাল অফ দ্য ফিটেস্ট।"
মানব শরীরে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এড়িয়ে চলার জন্য ভাইরাস সমূহ তারা এ পদ্ধতি গ্রহণ করে থাকে যাতে তারার সংক্রমিত হতে কোন বাধা না থাকে।
কিন্তু মজার হল বিষয় হল কোন ভাইরাসের মানুষের বা পশুর মতো পাখির মতো ব্রেইন নেই তবুও কী ভাবে তারা বুঝতে পারে যে এখন আমাকে পরিবর্তন হতে হবে এ প্রয়োজন সে কিভাবে বুঝতে পারে।
সমূহ ভাইরাস সমূহ জেনেটিক অর্থাৎ যেহেতু RNA আছে, তাই এর মাধ্যমে এই পরিবর্তনগুলো করে থাকে। রূপান্তরের কারণে ভাইরাসের ভেতর ভিতরগত ভাবে বেশকিছু পরিবর্তন ঘটে।
"ভাইরাস বা করোনা ভাইরাস যখন মানব দেহে বা কোনো হোস্টের ভেতরে প্রবেশ করে তখন সেখানে রিসেপ্টর বা গ্রাহক ছাড়া প্রবেশ করা সম্ভব হয় না অবশ্যই গ্রাহক থাকতে হয়। তখন করোনাভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন ওই গ্রাহক এর সাথে লাগে ফলে ভাইরাসটি ভেতরে ঢুকে পড়ে।
বর্তমানে ইউকে ভ্যারিয়্যান্টের স্পাইক প্রোটিনে পরিবর্তনের কারণে এর সংক্রমণ করার ক্ষমতা বেড়ে গেছে অনেক। তাই যতই ভ্যাকসিন দেওয়া হোক না কেন যে এন্টিবডি তৈরি হোক সেটা পরিবর্তন পরিবর্তিত নতুন স্পাইকে প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হচ্ছে।
প্রথম যে করোনাভাইরাস হয়েছিল সংক্রমিত হয়েছিল দেড় বছর আগে সেটি এখন বর্তমানে হাজার ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে।
প্রিয় সাথী বিন্দু আমার নিজস্ব অভিমত হলো করোনাভাইরাস বা যেই ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া রোগজীবাণু ইত্যাদি যতকিছুই আছে । সব কিছু মহান আল্লাহ তাআলার হুকুমের তাবেদারী। আমরা যদি মহান আল্লাহ তায়ালার হুকুম আহকাম, প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু সালামের তরীকা মতে জীবন গড়ি তবে অবশ্যই আল্লাহ আমাদের এই করোনা এবং করোনার চেয়েও শক্তিশালী ভাইরাস যদি হয় তবুও আমাদেরকে কিছুই করতে পারবেনা, আল্লাহ যদি না চান। আল্লাহ হাফেজ।


