বিসমিল্লাহি রহমানের রাহিম।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ।
প্রিয় সাথী বন্ধু আজকে আমি আপনাদের সামনে বিজ্ঞানের কিছু আশ্চর্য আবিষ্কার সম্পর্কে কথা বলবো ইনশাআল্লাহ।
বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ সভ্যতা এর পেছনে বিজ্ঞানের অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই আমাদের ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পর্যন্ত যত জায়গা যত ক্ষেত্র আছে সব জায়গায় বিজ্ঞানের আছে এক অভূতপূর্ব সাফল্য। প্রত্যেক জায়গায় বিজ্ঞানের কোন না কোন ছোঁয়া অবশ্যই লেগে আছে। বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা ফলে আমাদের জীবন অনেক সহজ হয়েছে। সর্ব জায়গায় বিজ্ঞান তার উন্নতি করে চলেছে বর্তমানে রান্নার কাজও বিজ্ঞান এক ধাপ এগিয়ে চলেছে।
যেমনঃ রান্নাঘরে মাইক্রোওয়েভ এবং মিক্সির মতো যন্ত্র অনেক আগে আবিষ্কার হলেও রান্নাটা এখনোও নিজেকেই করতে হয়। কিন্তু এভাবে আর কতদিন চলতে দিতে পারে বিজ্ঞান। পৃথিবীতে এতো আশ্চর্যজন এবং অবাক করা অনেক কিছুই আবিস্কার হয়েছে আর সয়ংক্রিয় রান্না পদ্ধতি আবিস্কার হবে না এমনটা তো হতে পারে না।
তাই বিজ্ঞানীরা ভবিষ্যতে যেন হাতে রান্না করতে না হয় এ জন্য থ্রিডি প্রিন্টার থেকে খাবার তৈরির পদ্ধতি আবিস্কার হয়েছে। স্পেন দেশে এক স্টার্টআপ কোম্পানি ‘ফুডিনি` নামের খাবার তৈরির একটি ত্রিমাত্রিক প্রিন্টার উদ্ভাবন করেছে ৷ থ্রিডি প্রিন্টার কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতাদের একজনের নাম লিনেট কুচমা ৷ তিনি বলেন,এই থ্রিডি প্রিন্টারটাকে আসলে অ্যাসেমব্লি ডিভাইস হিসেবে ভাবাটাই সহজ৷
স্পেন দেশে বিখ্যাত শহর বার্সেলোনায় নিজেদের স্প্যানিশ রেস্তোরাঁয় যমজ দুই ভাই খাবিয়ের ও স্যার্খিও টোরেস বিভিন্ন রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছেন যন্ত্রটি। আর দেখেছেন যে তাজা উপকরণ ও আধুনিক প্রযুক্তিই এর সাফল্যের রহস্য৷ তারা জমজ দুই ভাই মিলে এ যন্ত্রটির নাম দিয়েছেন ‘স্টার শেফ`৷
জমজ দুই ভাই এর মধ্যে সব প্রথম স্যার্খিও এই প্রথমবার খাবারের থ্রিডি প্রিন্টার পরীক্ষা করে দেখছেন ৷ এখন সেটাতে পায়েস ‘প্রিন্ট` হচ্ছে ৷ এই আবিষ্কার বা উদ্ভাবন রন্ধন শিল্পের ভবিষ্যতকে কি পরিমান পার্টি পাল্টে দেবে, স্যার্খিও এখনই সেটা বলা সম্ভব হচ্ছে না ৷
তিনি অথ্যাৎ স্যার্খিও বলেছেন যে আমার মতে, অনেক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে যাচ্ছে৷ বিষয়টা অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা, দেখেশুনে, এক্সপেরিমেন্ট করে, বিশ্লেষণ করতে হবে৷
চলতি বছরেই এই যন্ত্র বাজারে আসবে বলে ধারনা করা হচ্ছে৷ দাম হিসেবে ধরা হয়েছে ১,০০০ ইউরো৷ রাঁধুনি নিজেই কম্পিউটারে খাবারের ডিজাইন স্থির করবেন এবং নির্দেশ দিবেন ৷ এই ক্ষেত্রের নতুনত্বের বা সৃজনশীলতার কোনো সীমাই থাকছে না ৷ আসল কথা হলো প্রিন্টার দিয়ে হোক আর প্রিন্টার ছাড়া হোক না কেন খাবারের স্বাদ রাঁধুনির গুণের উপরই নির্ভর করে থাকে ৷ আজকে আবার অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে পোস্ট করব ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ হাফেজ


