বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
আচ্ছালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু।
প্রিয় সাথী বৃন্দ আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে আপনারা সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আমি আজকে গোল মরিচ এর বিভিন্ন উপকারিতা নিয়ে আজকে এই পোস্টটি সাজিয়েছি। এই পোস্টে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম।
নিশ্চই আমাদের মধো এমন কাউকে পাওয়া মুসকিল যে, লঙ্কার পাশাপাশি গোলমরিচ পছন্দ করেন না! অনেকের মুখে শুনা যায় যে, গোলমরিচের স্বাদটাই আলাদা। কারো জ্বরের মুখে আলু মরিচ বা বাটার টোস্টে গোলমরিচের গুঁড়ো-খেতে ভালোবাসেন না,এমন লোকের দেখা পাওয়া প্রায়ই দুষ্কর। কিন্তু শুধুই কি স্বাদ? না না এি গোল মরিচ উপকারের দিক থেকেও তো এর জুড়ি মেলা ভার। মিশকালো জাতের গোলমরিচের ওষধি গুণ শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। আসুন আমরা জেনে নেই গোলমরিচের…… ঠিক কী কী বিশেষ গুণ আছে।
অতিরিক্ত ওজন তো আজকাল প্রায় অনেকেরই শারীরিক সমস্যা । আমাদের শরীর থেকে বাড়তি ফ্যাট টেনে নিতে গরমজলে গোলমরিচ খুব উপকারী। আমাদের শরীরের ক্যালোরি পুড়িয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে এই গোলমরিচ। আমাদের ঠান্ডা লাগলে গরম দুধে গোলমরিচ কষ্ট থেকে উপশম দিয়ে থাকে। আমাদের মধো যাদের প্রায়ই ঠান্ডা লাগে বা হাঁচি হয় ঘন ঘন তাহলে তাঁরা যদি কয়েকটা গোলমরিচ রোজ চিবিয়ে খেয়ে নেন তবে উপকার পাবেনই পাবেন। যদি আমরা কচি নিমপাতার সঙ্গে তিন চারটি গোলমরিচ সকালে খালি পেটে চিবিয়ে খেলে সুগারও নিয়ন্ত্রণে থাকে। আমাদের কাহারো কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হয়ে থাকে তবে সকাল বেলা পায়খানায় অনেকটা সময় যুদ্ধ করতে হয়। তাই যদি আমরা এক কাপ হালকা গরম জলে লেবুর রস আর গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে টানা কদিন খেলে গ্যাস-এর সমস্যা কমে। কোষ্ঠ পরিষ্কার হয়ে যায়।
আমাদের যদি কাহারো ডিহাইড্রেশনের সমস্যা হয়ে থাকে,তবে যদি মৃদু গরম জলের সঙ্গে গোলমরিচ খেয়ে নেই তবে পেটের ফাপার সমাধান হয় ফলে শরীরে ক্লান্তি জমতে পারে না। এই গোলমরিচ আমাদের ত্বক মসৃন রাখে এবং খুব হালকা গরম জলে গোলমরিচের গুঁড়ো ফেলে একটু নেড়ে নিয়ে হালকা হালকা চুমুক দিয়ে খেলে শরীরে শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ে ফলেআমাদের শরীরের কাজ করার এনার্জি পাওয়া যায়। আমরা যদি সকাল বেলা এটা যদি খেয়ে নেই তবে সারা দিন মুক্তি পাবেন অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে।
তাই আর দেরী না করে আজ হইতেই গোল গোল ছোট দানাগুলোকে সকাল থেকেই সঙ্গী করে ফেলি। তাহলে আমরা অনেক রোগ হইতে মুক্ত থাকবো ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ হাফেজ।


