প্রিয় সাথীবৃন্দ, আজকে আমি শয়তান এবং মানুষরূপী শয়তান এর কিছু প্রতারণা ও ধোঁকা নিয়ে কিছু কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই এই পোস্টটা আপনাদের সকলকে স্বাগতম এবং অভিনন্দন।
মহান আল্লাহতালার গুনগান গাওয়া, মহান আল্লাহর বড়ত্ব মহান আল্লাহ তাআলার গুণগুনোগান মহান আল্লাহতালার শক্তি সামর্থ্য মহান আল্লাহ তাআলার পরিচয় মহান আল্লাহ তায়ালার ক্ষমতা মহান আল্লাহতালা যাবত গুণাবলী বারবার আমাদের মুখ দিয়ে বলতে হবে মানুষের কাছে দ্বারে দ্বারে দ্বারে দ্বারে গিয়ে বলতে হবে কিন্তু আমরা এই কাজটি কখনোই করতে পারি না করতে গেলে বিভিন্ন রকমের বাধা আমার মধ্যে কাজ করে। এক নম্বর বাধা শয়তান আমাদেরকে বিভিন্ন প্রকার ধোকা দেয়। ধোঁকা গুলোর মধ্যে আল্লাহর বড়ত্ব বলা কে আমরা লজ্জাবোধ করি। আমরা লজ্জাবোধ করি যে আমি আল্লাহর কথা বলব লোকে কি বলবে। কিন্তু দেখেন এই যে একটা ধোঁকা যে আমি যে আমাকে সৃষ্টি করেছে যে আমাকে বড় করেছে যে আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে যে আমাকে চোখ দিয়েছে যে আমাকে হাত দিয়েছে যে আমাকে পা দিয়েছে যে আমার কন্ঠ দিয়েছে যে আমার চিন্তা করার শক্তি দিয়েছে যে আমার জন্য বেহেশতে তৈরি করে রেখেছেন যে আমার একমাত্র আপন তার কথা বলতে কিসের লজ্জা। এখানে তো লজ্জা থাকার কথা নয়। কারণ যার অস্তিত্বে আমি অস্তিত্ববান যিনি আমাকে অস্তিত্বহীন করলে আর কেউ আমাকে অস্তিত্ববান করতে পারবে না। তার কথা বলতে আমার কিসের লজ্জা থাকবে কি কিসের লজ্জা করা উচিত। এটা একমাত্র শয়তান আমাদের মধ্যে কুমন্ত্রণা দেয় যে আল্লাহর বড়ত্ব বলিস না লজ্জাবোধ সৃষ্টি করে দেয়। এছাড়াও মাথায় টুপি পরলে আমাদের লজ্জা করে কারণ মানুষ বলবে হুজুর হয়ে গেছে। মানুষকে বলবে? এই কথাই আমাকে মাথায় টুপি উঠতে দেয় না। কারণ এখানে শয়তান দুই ভাবে কাজ করে একভাবে কাজ হলে আমার ভিতর টুপি পড়ার অনিহার সৃষ্টি করা আরেকভাবে কাজ করে সেটা হল অন্য মানুষরূপী শয়তানকে তিনি কুমন্ত্রণা দেয় ওকে এই কথা বল। এছাড়াও দাড়ি রাখার ক্ষেত্রে আমাদের লজ্জা করে। এখানে শয়তান দুই ভাবে কাজ করে একভাবে হলো আমার মধ্যে লজ্জা সৃষ্টি করে দেওয়া দাড়ি রাখার ফজিলত ভুলিয়ে দেওয়া। অপর ভাবে কাজ হল মানুষরূপী শয়তানকে আমার বিরুদ্ধে লাগিয়ে দেওয়া। এছাড়া নামাজের ক্ষেত্রে শয়তান আরো বেশি পরিশ্রম করে।
আমি যেন কোন ক্রমেইনা নামাজ না ধরতে পারি কারণ হাশরের ময়দানে সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নেওয়া হবে আর এই হিসাব যদি আমি না দিতে পারি তাহলে তো আমি ফেল করব আমাকে জাহান্নামে ফেলে দেওয়া হবে। কারণ আমার প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন হাশরের ময়দানে যার নামাজের হিসাব সঠিক হবে তার সব হিসাব সহজ হয়ে যাবে। তাইতো শয়তান এখানেও দুই ভাবে নামাজ করে মানুষরূপী শয়তানকে দিয়ে আর ব্যক্তির মধ্যে নামাজের প্রতি অনীহা সৃষ্টি করে। এছাড়াও শয়তান নামাজ যদি কেউ পড়তে শুরু করে তাহলে নামাজের মধ্যে অনেক কুমন্ত্রণা দিয়ে থাকে। নামাজ পড়ার সময় অন্য খেয়াল রাখা যাবে না এদিক সেদিক তাকানো যাবে না আরো অনেক নিষিদ্ধ কাজ রয়েছে। যেগুলো এমন পর্যায়ে করতে থাকা যার ফলে নামাজ ভঙ্গ হয়ে যায়। তাই শয়তানের এখানেও নামাজিকে কুমন্ত্রণা দেয় নামাজ থেকে তার মন বিচ্যুত করে দেয়। দুই রাকাত নামাজ অথবা চার রাকাত নামাজ এর মধ্যে নামাজের মন নামাজের মধ্যে থাকে না। এটা শয়তান তার মনে কুমন্ত্রণা দেয় তার মনকে ভুলে যায় নামাজ হতে। এছাড়াও দান খয়রাতের ক্ষেত্রে শয়তান দুই ভাবে কাজ করে একটা হল নিজের ভিতর ধান খানে তোর প্রতি অনীহা আর অপরটি হলো মানুষরূপী শয়তানকে দিয়ে বিভিন্ন রকমের কথার মাধ্যমে তাকে দান খয়রাতের প্রতি অনাহার সৃষ্টি করে।
তাই আসুন আমরা মানুষ রুপী শয়তান হতে বাঁচার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করি এবং শয়তান এবং মানুষকে শয়তানের বিরুদ্ধে জিহাদি ঘোষণা করি আমি আমার নেক আমল গুলো নিজের ইচ্ছায় করি কারণ আমার কাজ আমাকে করতে হবে আমার উত্তর আমাকে দিতে হবে আমার কবরে আমাকে ঢুকতে হবে আমার হাশর ময়দানে আমাকে জবাবদিহি করতে হবে আমার পুলসিরাত আমাকে পার হতে হবে আমার জান্নাতে আমাকে যেতে হবে। তাই আমি মানুষকে শয়তানের কথা মতে আমার কাজ আমি করা বাদ দেবো না আমার কাজ আমাকে করতেই হবে করতেই হবে। আজকের মত এখানেই শেষ করছি আল্লাহ হাফেজ।


