বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
গরুর মাংসর বিরানি রান্না করার পদ্ধতি।
বিরিয়ানি এমন একটি খাবার যা অতি পছন্দনীয় একটি খাবার। বিরিয়ানির কথা বললে কারনা জিভে পানি না আসে। এটা একটা জনপ্রিয় খাবার। এরা এর টেস্ট অনেক ভালো খেতে অনেক মজা। আজকে আমরা বিরিয়ানি রান্নার পদ্ধতি এবং এর রেসিপি সম্পর্কে জানব।
১. গরুর মাংস- ১ কেজি ।
২. আলু- যতটুকু ইচ্ছা ।
৩. পোলার চাউল- ১-২কেজি ।
৪. আদা-রসুন বাটা- ২টেবিল চামচ পরিমাণ।
৫. টক দই- ৩ টেবিল চামচ পরিমাণ।
৬. জায়ফল- ১ চা চামচ পরিমাণ।
৭. মরিচ গুঁড়া - ১ চা চামচ পরিমাণ ।
৮. ধনিয়া+জিরা গুঁড়া- ১ চা চামচ পরিমাণ।
৯. পেঁয়াজ কুচি- এক কাপ পরিমান।
১০. এলাচ- ৫-৬টি।
১১. তেজপাতা- ২-৩টি।
১২. দারুচিনি- ২-৩ টুকরা
১৩. লবঙ্গ- ৫/৬টি
১৪. আস্ত কাঁচামরিচ- ১০/১২টি
১৫. আলুবোখারা- ৪-৫টি
১৬. ঘি- ২ টেবিল চামচ পরিমাণ।
১৭. তেল- প্রয়োজন মতো ।
১৮. লবণ- স্বাদমতো যতটুকু লাগে।
প্রথমে মাংস ধুয়ে পানি নিগরে নিনষতে হবে। এরপর জায়ফল-জয়ত্রী, আদা-রসুন বাটা, মরিচ গুঁড়া, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, ধনিয়া-জিরা গুঁড়ো, টক দই ও লবণ দিয়ে একসাথে মিশিয়ে নিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে দিব।
এরপর কড়াইয়েতে পরিমান মত তেল নিয়ে গরম করে তাতে কিছু পেঁয়াজ কুচি ভেজে নিলাম। পেঁয়াজ রং লালচে হয়ে গেলে মসলাসহ মাংস দিয়ে কষায়ে নিলাম। এরপর মাংস সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত জাল চালিয়ে যেতে হবে এবং ঢেকে দিতে হবে।
এরপর পোলার চাল ধুয়ে পানি ছেঁকে নিলাম। এক্ষেত্রে চাউলকে আদা সিদ্ধ করে পানি ছেঁকে নিতে হবে। এরপর তাহা পেঁয়াজ কুচি তেল এর মাঝে সুন্দরভাবে ভেজে নিতে হবে যাতে তার রঙ লালচে বাদামী বর্ণের হয়। এরপর সেই ভাজা চাউলের ভেতর দ্বিগুণ পরিমাণ পানি দিয়ে দিতে হবে। এরপর পানি ফুটলে হালকা নেড়ে রান্না করে রাখা সিদ্ধ মাংস এর ভিতর ঢেলে দিতে হবে এবং নারানী দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে এরপর প্রার্থী থেকে ঢেকে দিতে হবে কমপক্ষে ১৫ মিনিট তোলার উপর রাখতে হবে এরপরেই স্বাদের বিরিয়ানি তৈরি হয়ে যায় চা খেতে অত্যান্ত সুস্বাদু লাগে।
এরপর এটি যখন খাওয়ার জন্য পরিবেশন করা হয় তখন এর সাথে কিছু সালাত ব্যবহার করতে হয় এটা বিরিয়ানিতে আরো প্রাণবন্ত করে তোলে।


