বিপদ-আপদে ধৈর্য্য ধারণ করা আমাদের একান্ত দারকার।

alim236


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু


প্রিয় সাথী বন্ধু,

আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি এবং মহান আল্লাহতালা অশেষ মেহেরবানী ভালো আছি সুস্থ আছি। জীবনের সংকটময় পরিস্থিতিতে অনেক শক্তিই রাখতে হয় এ বিষয়টি নিয়ে কিছু কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই এই পোস্টটা আপনাদের সকলকে সহযোগিতা অভিনন্দন।


জীবন মানেই যুদ্ধ, যুদ্ধ মানে জয় এবং পরাজয়, মানব জীবন মসৃণ নয় অধিকাংশ সময় অমসৃন হয়ে থাকে। এই ছোট্ট জীবন চলতে আমাদেরকে অনেক বাধা-বিপত্তি বিপদ আপার অতিক্রম করতে হয় । আর এই জন্য আমাদেরকে অনেক ধৈর্য রাখতে হয়। আমরা দুটি ধৈর্য নিয়ে বিপদ মোকাবেলা করতে পারি তবে আমরা শত বিপদেও মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবো। আর যদি আমরা ধৈর্য হারা হয়ে যাই তবে আমরা কখনো বিপদ থেকে উঠতে পারবো না বিপদে হাবুডুবু খেয়ে মরতে হবে। তাই আমাদেরকে যে কোন বিপদ আপানাদের ধৈর্য ধারণ করে এগিয়ে চলতে হবে।


মহান আল্লাহতালা আমাদেরকে বিভিন্নভাবে পরীক্ষা করে থাকেন। সবাইকেই অবশ্য অবশ্যই মহান আল্লাহতালা পরীক্ষার করবেন। সেই পরীক্ষা হয়তো কারো কারো জন্য বড় কারো জন্য ছোট। যে যত বেশি ঈমানদার তার পরীক্ষা কত বেশি বড় হয়ে থাকে। আমাদের জীবনের যত বড়ই বিপদ আসুক না কেন আমরা যেন কখনো ধৈর্য হারা না হই। বিপদ চিরদিন মানুষের থাকে না যদি ধৈর্য সহকর্ম মোকাবেলা করতে থাকি তবে অবশ্যই একসময় না একসময় বিপদ কেটে যাবে এবং সুন্দরভাবে কেটে যায়।


আমাদের সমাজে এমন মানুষ দেখা যায় যারা অল্প বিপদে অস্থির হয়ে যায়। অস্থির হওয়ার ফলে সে বিপদে ধৈর্য হারা হয়ে যায় তার বিপদ ভালোভাবে কেটে যায়। আরো বড় বিপদ এসে যায় ধৈর্যের বাধ ভেঙে যায়। আসলে ধৈর্যের ফল মিষ্টি। কেউ যদি থাকবে ধারণ করে বিপদ মোকাবেলা করতে চায় তবে তার অবশ্যই অবশ্যই আসবে। একটু একটু কথা সন্দেহ নাই।


মহান আল্লাহতালা বলেছেন যে ব্যক্তি ধৈর্য ধারণ করে আল্লাহ তাআলা থাকেন। ধৈর্যশীল ব্যক্তি কে মহান আল্লাহতালা অনেক ভালোবাসেন। তাই আমাদের সবার উচিত সর্বসময় ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। ধৈর্য ধারণ করুন। মহান আল্লাহতালা খুশি হবেন। তাই আসুন আমরা বিপদে ধৈর্য ধারণ করি মহান আল্লাহতালা আমাদেরকে ধৈর্য হতে উত্তীর্ণ করুন। আজকের মত এখানেই শেষ করছি

আল্লাহ হাফেজ।

Comments