বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
প্রিয় সাথী বন্ধু,
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর অপার মেহেরবানীতে অনেক ভাল আছি সুস্থ আছি আজকে আমি সাথে রমজান অর্থাৎ শবে কদর উপলক্ষে ইফতারের আয়োজন সম্পর্কে কিছু কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই এই পোস্টটা আপনাদের সকলকে স্বাগতম এবং অভিনন্দ।
আজকে রমজানের ২৭ তারিখ, আজকে আমাদের মহল্লার পাঞ্জেগানা মসজিদে ইফতারের আয়োজন করলাম। ইফতারের আয়োজন করার জন্য সর্বপ্রথম আমরা ব্যাংকে গেলাম। সাথে আমার ছোট ভাই ছিল। আমরা এটিএম কার্ডের মাধ্যমে টাকা উঠানোর জন্য যমুনা ব্যাংকে বুথে গেলাম। প্রথমে ১০ হাজার টাকা উঠাইলাম এরপর আরো দশ হাজার টাকা উঠালাম তৃতীয়বার আরো দশ হাজার টাকা উঠানোর জন্য চেষ্টা করলাম কিন্তু উঠাতে পারলাম না এদিকে আমার একাউন্ট থেকে টাকা কেটে নিয়েছে। কিন্তু টাকা আমি হাতে পেলাম না। এই একটা বড় বিলম্ব না করে গেলাম। এরপর ডাচ বাংলা ব্যাংকের বুথে গেলাম সেখানে গিয়ে ১০০০ টাকা উঠালাম ওখানে দিনে একবার উঠানো যায় বলে আর উঠাতে পারলাম না এরপর বাজারের দিকে রওনা দিলাম।
বাজারে গিয়ে বিভিন্ন কিছু কিনলাম এবং অল্প টাইম এর ভিতরে বাড়ির দিকে চলে আসলাম এদিকে শুক্রবার বিধায় আমি বাড়িতে না এসে সরাসরি মসজিদে চলে গেলাম। মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ে বাড়ির দিকে এলাম। বাড়িতে আসার পর একটু রেস্ট নিলাম কাপড়চোপড় পাল্টালাম। এরপর রান্নার আয়োজন শুরু হলো, আমার ছোট ভাই আল আমিন ও একাই পাক করা শুরু করে দিল। এখনো পাক চলতেছে এবং বিভিন্ন কলা কৌশল পূরণ করা হচ্ছে মনে হচ্ছে যে ভালোই পাক করবে।
পাক করা শেষ হওয়ার পরে এগুলো মসজিদে নিয়ে যাওয়া হবে এবং মসজিদের মুক্তাদীদের গতকালের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। তাই তারা যথা টাইমে মসজিদে চলে আসলে আমরা যথা টাইম ইফতার করার জন্য রেডি হয়ে যাবো ইনশাল্লাহ।
ইফতার করানোর একটাই উদ্দেশ্য সেটা হলো রোজাদারদের ইফতার করলে রোজা যে সব পাওয়া যায়। তাইতো সব পর আশায় এ কাজ করা অন্য কোন আশায় সেগুলো করা হয় নাই। আমাদের সবার উচিত আখিরাতের কামানো সংগ্রহ করা আর সেই থেকে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে আমরা আপনাদের থামানো সংগ্রহ করার জন্য শত চেষ্টা করে যাবো ইনশাআল্লাহ। মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে আখেরাত ও কামনা ঘোষণার জন্য তৌফিক দান করুক আমিন আজকের মত এখানে শেষ করছি আল্লাহ হাফেজ।


