আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু সবাই কেমন আছেন আশা করি সকলে ভালো আছেন আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল আছি আজকে আমি আমার এক বন্ধুর বিয়ে সম্পর্কে কিছু কথাবার্তা বলব সে কিভাবে বিয়ে করল মানে বিবাহর প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কি ঘটেছিল সব কিছুই বলার চেষ্টা করব । তার আগে বিবাহ সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিতে কি কি বলা হয়েছে এবং বিবাহ সম্পর্কে কি বলা হয়েছে আর বিবাহ কার জন্য ফরয কার জন্য সময় কার জন্য ওয়াজিব আর কার জন্য হারাম সবকিছু বলব
বিবাহ মহান আল্লাহ তাআলার এক বিশেষ নেয়ামত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত।।মহান রাব্বুল আলামিন কুরআন কারিমে ইরশাদ করেন,وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً অর্থাৎ ‘আর এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সংগিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।আল্লাহ অন্যত্র ইরশাদ করেন- هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ অর্থাৎ ‘তারা (স্ত্রীগণ) তোমাদের পোশাক এবং তোমরা (স্বামীগণ) তাদের পোশাকস্বরূপ`। আল্লাহ আরো বলেন- وَأَنكِحُوا الْأَيَامَى مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاء يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ - وَلْيَسْتَعْفِفِ الَّذِينَ لَا يَجِدُونَ نِكَاحًا حَتَّى يُغْنِيَهُمْ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ অর্থাৎ তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, । যারা বিবাহে সামর্থ নয়, তারা যেন সংযম অবলম্বন করে যে পর্যন্ত না আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, `বিয়ে হলো আমার সুন্নাত যে ব্যক্তি আমার সুন্নাত তরিকা ছেড়ে চলবে সে আমার দলভুক্ত নয়।অন্য হাদিসে এসেছে- হে যুবসমাজ! তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ের সামর্থ্য রাখে, তাদের বিয়ে করা কর্তব্য, কেননা বিয়ে দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণকারী, যৌন অঙ্গের পবিত্রতা রক্ষাকারী।তিনি আরো ইরশাদ করেন, ‘হে যুব সম্প্রদায়! তোমাদের মধ্যে যারাই স্ত্রীর অধিকার আদায়ে সামর্থ্য রাখে, তারা যেন অবশ্যই বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়।ইসলামে বৈরাগ্যবাদে স্থান নেই। তাই মানুষ যতক্ষণ পর্যন্ত বিবাহ না করে ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ মুসলমান হতে পারে। হাদিসে এসেছে- ‘যখন কোনো বান্দা বিবাহ করলো তখন সে তার ঈমানের অর্ধাংশ পূর্ণ করল।ইসলামে বৈরাগ্যতা নেই এবং বৈরাগ্য জীবনযাপন করাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিষেধ করেছেন। আমরা কোরআন হাদিসের আলোকে এসব কিছু জানতে পেরেছি ত বিবাহ হলো একটি সুন্নত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর সুন্নত এবং সমস্ত রাসুলদের নবীদের সুন্নত আমার বন্ধুর বিবাহ হয়েছিল সেই সম্পর্কে আমি বলব আমার বন্ধুর নাম ইমরান হুসাইন বয়স 18 মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে আমার সাথে আমরা কাফিয়া জামাতের লেখাপড়া করি আমার বন্ধুর জেলার নাম হল গোপালগঞ্জ তারা দুই ভাই তিনি বরং তার কোন বোন নেই ইমরান ভাই তার মামাতো বোনকে বিয়ে করেছে আগে থেকেই তারা একে অপরকে পছন্দ করত কিন্তু কেউ কাউকে মুখ ফুটে বলে নাই যে আমি তোমাকে পছন্দ করি শুধু ইশারা ইঙ্গিতে ইশারা ইঙ্গিতে বুঝেছেন যে আমি তোমাকে পছন্দ করি এবং তুমি আমাকে পছন্দ করো বিয়ের আগের অনেকগুলো ঘটনা আছে তার মধ্যে একটি ঘটনা হলো একবার ইমরান ভাইয়ের মামা-মামী তারা তাদের বাড়িতে আসছিল তার মামা আর মামি এবং তার মামাতো বোন ঢাকায় থাকতো ইমরান ভাইয়ের মা মারা যখন আসছিল তখন ইমরানকে ফোন দিয়ে তার মামা বলছিল তুমি বলো সে আসবে কিনা মানে তার মামাতো বোন বোন বলছিল যে সে যদি বলে তাহলে আমি তাদের বাসায় যাব যদি সে না করে তাহলে আমি তার বাসায় যাব না তার পরে ইমরান ফোন দেয় বলে তুমি আমাদের বাড়িতে আসো না কেন ইমরান তখন মাদ্রাসা ছিল তখন বলছিল আপনি না আমাকে বলছিলেন যে আমি কোথাও গেলে আপনাকে বলে যাই এজন্য আমি যাই নাই তারপর ইমরান মাদ্রাসা থেকে তার বাসায় যায় তার বাসায় যায় নাই তার বাসার গেট পর্যন্ত যায় গিয়ে তাকে বাজার করে দিয়ে আসে শুধুমাত্র তার মামাতো বোন একাই বাসায় ছিল আর কেউ ছিলনা এজন্য সে বাসায় যায় নাই কারন মানুষ অনেক কিছু মনে করবে তো তার মামাতো বোন লেখাপড়া করতে চাইত না ইমরান ভাই অনেক বুঝানোর পরে তিনি লেখাপড়া করেছেন বলেছেন আমার লেখাপড়া করতে ভালো লাগে না পরে ইমরান ভাই বলছে ক্লাস এইট পর্যন্ত পড়তে হবে বলেছে আমি ক্লাস এইট পর্যন্ত পর্ব ইমরান ভাই আর একটি শর্ত দেয় যদি ক্লাস এইট এ এ প্লাস পাই তাহলে তাকে পুরস্কার দিবেন তো তিনি অনেক মেহনত করে ক্লাস এইটে এ প্লাস পাই তারপরে 8 পাস করার পর তিনি বলেন আমি আর পড়বো না আপনি যা বলেছিলেন আমি তাই করেছি আপনি যে পর্যন্ত পড়তে বলেছিলেন আমি সেই পর্যন্ত পড়েছি আমি পড়বো না তার মা মা বলেছিলো অনেক লেখা পড়া করার জন্য তার মামাতো বোনকে কিন্তু সে পড়বেনা আমার লেখা পড়া ভাল লাগেনা এই ভাবেই যাচ্ছিল তাদের দিনকাল তারা ছোটকাল থেকেই একজন অপরজনকে অনেক পছন্দ করত তাদের ফ্যামিলি থেকেও তারা বুঝতে পেরেছে যে তারা একে অপরকে পছন্দ করে তাই তারা এক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে যে তাদেরকে তারা বিয়ে দিবে ইমরান ভাই বিবাহের আগে বাড়িতে তেমন যাইত না নাহবেমীর এর বছর তিনি পুরো বছর বাড়িতে যান নাই তার বাবা বলেছিল তিনি বাড়িতে কেন আসেন নাই হুজুর কে অনেকবার জিজ্ঞেস করেছিলেন যে তিনি কেন বাড়িতে আসেন না এজন্য তার বাবা বলেন ছেলে যখন বাড়িতে আসে না ছেলেকে বিয়ে করিয়ে দেই তাহলেই বাড়িতে আসবে এজন্য তার বাবা আরো উঠেপড়ে লাগে তাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য তো এক পর্যায়ে তাদের বিবাহ কিভাবে তাদের বিবাহ হঠাৎ করে তাদের বিয়েটা হয়ে যায় ইমরান ভাই জানতেও পারেনা যে আজকে তার বিবাহ মাত্র 2 ঘন্টা আগে জানতে পারে যে তার বিবাহ আজকে বিবাহ কিভাবে হয়েছিল সে সম্পর্কে দ্বিতীয় পর্বের সবকিছু বলা হবে আজকে এই পর্যন্তই সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে এখানে শেষ করছি আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ

