আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু সবাই কেমন আছেন আশা করি সকলে ভালো আছেন আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল আছি।
আমি এখানে কয়েকটি পর্বে আমার অনলাইনে কিভাবে আসা এবং কিভাবে টাকা ইনকাম করা শুরু হয় সম্পর্কে কিছু কথাবার্তা বলব তো সবাই দোয়া করবেন আমি যাতে ভালোভাবে লিখতে পারি।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে আমি যখন অনলাইনে প্রথম আছি কিভাবে আছি এবং আমি প্রথম কেমন ইনকাম করতাম আমার গাইডলাইন কে ছিল তার সম্পর্কে কিছু কথাবার্তা বলবো এবং আমি যে অনলাইনে কাজ করি আমার বন্ধুরা আমাকে কেমন ভাবতো আমার ফ্যামিলির লোকজন কোন দৃষ্টিতে দেখতো সেই সম্পর্কে কিছু কথাবার্তা বলব আল্লাহ তাআলা আমাকে বলার তৌফিক দান করুন আমিন
আমি যখন নাহবেমীর জামাতের পড়ি অর্থাৎ যখন আমি জামিয়া রশীদিয়া থেকে ঢাকায় ভর্তি হয় না প্রেমের জামাত পড়ার জন্য তখন আমার একটি টাচ মোবাইল কিনে দেন আমার বাবা এবং আমাকে বলে দেন এটাই প্রথম এটাই লাস্ট মোবাইল এর পরে তোমাকে আর মোবাইল কিনে দেওয়া হবে না যদি কামাই করতে পারো অর্থাৎ ইনকাম করতে পারো নিজে নিজে কিনতে পারো তাহলে কিনবে আমরা আর ফোন কিনে দিবো না আমাকে তখন সিম্ফোনি একটি মোবাইল কিনে দেওয়া হয় যার মূল্য ছিল ছয় হাজার টাকা।
আমার মোবাইল কিনে দেওয়া হয়েছিল যখন আমি জামিয়া রশীদিয়া তে পড়তাম কিন্তু আমি মোবাইলটি ব্যবহার করতাম না কারন জামিয়া রশীদিয়া তে মোবাইল চালানো একদম নিষিদ্ধ ছিল এজন্য আমি বাড়িতে মোবাইল রেখে মাদ্রাসায় চলে যেতাম যখন বাড়িতে আসতাম তখন আমি মোবাইলটা ব্যবহার করতাম।
জামেয়া রশীদিয়া তে মোবাইল ব্যবহার করা ছাত্রদের জন্য হারাম পথে এক রুমের জন্য প্রত্যেক জামাতের জন্য অনেকগুলো মোবাইল রয়েছে বাড়িতে ফোন করার জন্য তাও প্রত্যেক দিন ফোন করা যাবে না সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ফোন করা যাবে তাও আবার প্রতি মিনিট কথা বলার জন্য দুই টাকা করে দিতে হবে এইভাবে ফোন করতাম কোন সিম যদি ছাত্রদের কাছে পাওয়া যেত তাহলে ওইটা জমা নিয়ে নিতো আর কখনো ছাত্রদেরকে দিত না। আর যদি কোন ছাত্রর কাছে মোবাইল ফোন পাওয়া যেত তাহলে তাকে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কার করে দিত এজন্য আমি জামিয়া রশিদিয়া মাদ্রাসা তে মোবাইল ফোন নিয়ে যাই নাই মাদ্রাসার ফোন থেকে বাড়িতে ফোন করতাম।
যখন আমি ঢাকায় চলে আসলাম লেখাপড়া করার জন্য তখন প্রথম চার মাস আমি মাদ্রাসায় মোবাইল নিয়ে আসি নাই তখন আমার একটি বাটন মোবাইল ছিল সেটা দিয়েই আমি বাড়িতে কথাবার্তা বলতাম তখন মোবাইলের তেমন কিছু বুঝতাম না মাদ্রাসায় আসার পর দেখতে পারি অনেক ছাত্ররা টাচ মোবাইল ব্যবহার করে তখন আমার মনে ও আস্তে আস্তে ইচ্ছে জাগে যে আমিও আবার যখন বাড়িতে যাব তখন আমি বাড়ি থেকে টাচ মোবাইল নিয়ে আসবো আমি বাড়িতে কম কম যেতাম মাদ্রাসা থেকে ছুটি নিয়ে কখনো আমি বাড়িতে যাই নাই।
এইভাবে চার মাস যাওয়ার পর যখন কোরবানির ঈদ চলে যায় প্রথম সাময়িক পরীক্ষা চলে যায় তখন আমি বাড়ীতে যাই বাড়িতে গিয়ে আমি আমার ফোনটা নিয়ে আসি মাদ্রাসায় ব্যবহার করা যেত না লুকিয়ে লুকিয়ে আমি আমার ফোনটা ব্যবহার করতাম শুধুমাত্র আসরের নামাজের পরে মাগরিবের আগ পর্যন্ত তাও মাদ্রাসার হুজুর যাতে না দেখে এজন্য অনেক দূরে চলে যেতাম কোনটা ব্যবহার করার জন্য মাদ্রাসা থাকাকালীন মাদ্রাসার ছাত্ররা সাধারণত টাচ মোবাইলে যা যা করে তা হল ফেসবুক ইউজ করা ফেসবুকে পিকচার আপলোড করা ইউটিউবে ভিডিও দেখা এগুলো ছাড়া আর কিছুই করে না অনেক দামি দামি ফোন কিনে।
আমি মনে করি যদি আপনি শুধুমাত্র ফেসবুক ইউটিউব ইনস্টাগ্রাম এগুলো ব্যবহার করার জন্য মোবাইল কিনতে চান তাহলে বেশি দামি ফোন কিনে কোন লাভ নেই কারণ বেশি দামি ফোন দিয়ে আপনি কি করবেন আপনি যদি 30 হাজার টাকা দামের ফোন কিনেন তাহলে আপনি সেই ফোন দিয়ে যদি ইউটিউব ইনস্টাগ্রাম ফেসবুক এগুলো ব্যবহার করেন তাহলে আপনার 30 হাজার টাকার ফোন কিনেছি 30000 ফোন কিনার যোগ্যতা আমার মনে হয় তারাই রাখে যারা মাসে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারে এবং অনলাইনে কাজ করতে পারে।
বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্তই বাকি পর্বে লেখা আসবে
সে পর্যন্ত আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে ভাল রাখুক এবং আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে এই মহামারী করোনাভাইরাস থেকে হেফাজত এবং বর্তমান যে পরিস্থিতি চলতেছে মুসলমানদের উপরে সেটা থেকে যাতে মুসলমানরা মুসলমান মুসলমান শক্তি তারা ফিরে পাই সেই তৌফিক দান করুক এবং আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন সকালের দীর্ঘায়ু কামনা করে আজকে আমি এখানেই শেষ করছি সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন আমিও সবার জন্য দোয়া করি তো আজকে এই পর্যন্তই সকলকে ধন্যবাদ আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতু

