জান্নাতি সুবাস

A
arif567

জান্নাতি সুভাষ

 

আজ একটা মৃত্যু হয়েছে উত্তরবঙ্গের একটি গ্রামে গ্রামে এমন একটা ব্যক্তির সন্ধান মেলেনি যে জানাজার নামাজ পড়াবে লোকেরা গোসল দিয়ে লাশ নিয়ে গ্রামের রাস্তা এল অনুসন্ধানী চোখ গুলো একটা ব্যক্তির জন্য অপেক্ষা করছে চলছে অপেক্ষা

 

অবশেষে দূর থেকে একটা হালকা আলোয় উদ্ভাসিত হলো তবে উপকার হলো না কাছে এলে জানা গেল তিনিও জানাজা পড়াতে পারেন না অপেক্ষার প্রহর মৃত্যুযন্ত্রণার মতোই তাহলে কি জানা যাবে দিতে কবর দিতে হবে।

 

আত্মীয়-স্বজনরা পেরেশান ওই তো দেখা যাচ্ছে একজন সাইকেলে চেপে রাস্তা দিয়েই আসছে অল্প দাড়িও দেখা যাচ্ছে মুখে না এবার নিরাশ হতে হলো না জানাজার নামাজ চলছে সবার অনুরোধে কবর দিতে গেলেন অপরিচিত সেই লোকটি কবর দেওয়া শেষে সাইকেলে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে অফিসে পৌঁছালেন

 

হঠাৎ দেখা গেল তার অফিসের প্রবেশ করতে নেই দারোয়ান কিছুতেই তাকে প্রবেশ করতে দেবেনা পড়লেন বিপদে কোথায় গেল কান্ট্রি মনে পড়েছে কালকে হয়তো কবর দিতে গিয়েই পড়ে গেছে কবরে

 

পুনরায় গেলেন সেই গ্রামের মৃতের বাড়িতে আত্মীয় স্বজনকে বিষয়টি জানালে তারা তার কৃতজ্ঞতা স্বীকার করল কবর খনন করার অনুমতি দিলেন চলছে কবর খনন

 

আশ্চর্য চারিদিকে এত ফুলের সুবাস ছড়াচ্ছে কোথা থেকে এলো ফুলের ঘ্রাণ শুঁকে নি কখনো পাগল করে দিচ্ছে বাতাসের বাতাসের সাথে মিশে যাচ্ছে সে সুবাস জান্নাতি সুভাষ যতই খনন হচ্ছে ততোই বাড়ছে

 

অসংখ্য ফুল কোথা থেকে এল কে এই কবরে ফুল গুলো বুঝিয়ে দিল যে এক কুদরতি রহস্য ফুল গুলোর উপরে আইডি কার্ড টা দেখা যাচ্ছে সে আগন্তুক ব্যক্তি দৌড়ালেন পরিবারের লোকজনের কাছে জিজ্ঞেস করলেন এমনকি আমল করতেন মৃত ব্যক্তির মৃতের স্ত্রী বললেন প্রায় সময় আমার স্বামী কুরআন বুকে নিয়ে কান্নাকাটি করতেন।

 

সেকি ডুকরে কাঁদতে জানো মূল্যবান কোন সম্পদ হারিয়ে ফেলেছেন আর আফসোস করে বলতেন হে আল্লাহ যদি আমি এ কোরআন শিক্ষা করার মত কোন ব্যক্তি পেতাম তাহলে অবশ্যই তোমার পবিত্র কালাম শিক্ষা করতাম জীবনের শেষ মুহূর্তে তিনি এরূপ করতেন কুরআনের প্রতি ভালোবাসার এক  নাজীবন্ত উপাখ্যান।

Comments