মুমিন বান্দার দু:খ আর নাস্তিক বান্দার শান্তি।

B
belal
আসসালামু আলাইকুম অরহমাতুল্লহি অবারকাতুহ ওয়া জান্নাতু ওয়া মাগফিরতু।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা আশা করি মহান আল্লাহ তায়া’লার অশেষ দয়া ও রহমতে আপনারা সবাই ভালই আছেন। আল্লাহর রহমতে আমিও আলহুমদুলিল্লাহ ভালোই  আছি। তাহলে আসুন শুরু করা যাক।


  মুমিন বান্দা আর নাস্তিক বান্দা।


  এক মুমিন বান্দা একবার
খুব অসুস্থ হয়৷ এবং আরেক নাস্তিক বান্দাও একবার খুব অসুস্থ হয়। তারা দুইজনই ছিল মৃত্তুর মুখোমুখি পযার্য়। এমনকি তারা দুইজনই মরার আগে কিছু সুস্বাদু খাবার ও আরাম আয়েশ ভোগ করতে চাইল।

নাস্তিক বান্দার জন্য মহান আল্লাহ ফেরেস্তাদের নিরদেশ দিলেন যে অই নাস্তিক বান্দার সকল চাহিদা পুরপুরি ভাবে পুরন কর। ফেরেস্তারা তার আদেশ মত অই বান্দার সকল ইচ্ছাই যথাযথ ভাবে পুরন করে দিল এবং সে শান্তিতে মৃত্তু বরন করল।

অপরদিকে নেককার মুমিন বান্দার জন্য আল্লাহ আদেশ দিল যে সে যেন কোন আরাম আয়েশ কোন কিছুই না পায়। এভাবেই চাহিদা অপুরন রেখেই মৃত্তু বরন করে। আল্লার ইচ্ছামত  তাই ঘটল। 

কিন্তু জিনিসটা অন্নরকম হলেও সত্য। কারন মহান আল্লাহ জাকে ভালবাসে  তাকে দুনিয়াতেই দু:খ দিয়ে গুনাহ কমিয়ে দিয়ে পরকালে সহজে জান্নাত দান করে দেয়। আর যে খোদার নাফরমানি করে আল্লাহ তার উপর নারাজ হয়ে গেলে এবং সে বান্দা যদি মাফও না চায় তাহলে আল্লাহ নারাজ হয়ে দুনিয়াতে তাকে পারথিব শুখ শান্তি দিলেউ পরকালে জাহান্নামে পেরন করেন।



তাই আমাদের কার হতাশ হওয়া যাবে না যে আল্লাহ আমি আল্লাহর ইবাদত করি আর আল্লাহ  সুধু আমকেই দু:খ দেয়। আই চিন্তা ভুলেউ করা যাবে না। কারন আল্লাহ যাকে ভালবাসে তাকেই পরিক্ষায় ফেলেন। এবং  আল্লাহ ত বলেছেন ই যে নিশ্চয়ই দু:খ এর পর শান্তি  আসে।


সুতরাং  আমাদের উচিত  আল্লাহর উপর ভরশা রাখা এবং তার দেখানো পথে চলা।

তাহলে আজ এ পর্যন্তই।  আবার পরে দেখা হবে ততদিন সবাই ভাল থাকবেন।
ফি -আমানিল্লাহ। 

Comments