বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।
আজকে আমি আপনাদেরকে আমার জীবনের অতীত এবং বর্তমান সম্পর্কে সুখের দুখের গল্প বলবো। ইনশাল্লাহ।
আজ থেকে ১০ বছর আগে আমাদের বাড়িতে খুব আনন্দ উল্লাস হত আমার চাচারা ফুফুরা আসতো। এবং আমাদের চাচাতো ভাইরা ফুফাতো ভাইরা আসতো। আমারা খেলাধুলা করতাম। আনন্দ উল্লাস করতাম। পিকনিক করতাম খুব আনন্দময় দিনগুলো ছিল।
একবার আমার একটা মজার ঘটে যাওয়া কাহিনী। আমার বয়স ছিল তখন সাত বছর আমি ওই সময় আমার ফুফুদেরকে অনেক ভয় পেতাম। একবার হয়েছিল কি আমার ফুফাতো ভাইয়ের একটা সাইকেলে ছিল।যার চারটা চাকা ছিল। আমরা সবাই বলতে আমার বয়সে আমরা চারজন ছিলাম। আমরা একজন একবার করে সাইকেল চালাতাম একজন পর একজন আরেকজনের পর একজন। একবার হয়েছে দেখি আমি যখন সাইকেল চালাতে যেতাম তখনই পড়ে যেতাম। পড়ে গেলেই তো আমার টাইম শেষ তখন অন্যজনে চালাবে। ওই সময় আমার মাথা গরম হয়ে যায় আমি কি করে চার চাকা থেকে একটি চাকা ভেঙ্গে পেলি। অথবা সেখান থেকে দৌড় দিয়ে বাসায় রুমে চলে যায়। আর বাহির হয় না। কারণ আমার ভয় হয়েছিল যদি ফুফু আমাই মাইর দেই। প্রায় ২-৩ ঘণ্টা হয়ে গেছে আমি বাসা থেকে বাইরে হই না।
তখন আমার বড় একজন ফুফাতো ভাই সে আমাকে টেনে বাহির করল। আর আমার বয়সি আমার ফুফাতো ভাই বললো একজন বলতেছে খালামনি মায়ের দেবে। আর একজন বলতেছে আম্মু মাইর দিবে। তখন আমি আবার দৌড়ে বাসায় ঢুকে যাই । কিছুক্ষণ পর আমার ফুফু আসলো আমি তো ভয় পেয়ে গেলাম। তখন বলল আমি কিছুই করবো না তুই বাহিরে যা খেলা দুলা কর তখন আমি খুশিতে বাহিরে চলে যায়। অতঃপর যা দেখলাম আমি নিজে অবাক হয়ে পড়লাম। দেখলাম যে আমি যে চার চাকা থেকে একটি চাকা ভেঙ্গে ফেললাম। তার পাশে আরেকটি চাকা তারা ভেঙ্গে ফেলল। এবার আমাকে বলতেছে চল আমরা দুই চাকা দিয়ে শিখব। তখন আমি বললাম তোরে এইসব কখন করলি।তখন তারা বলল তুই যখন চার চাকা ভাঙ্গলি ওই সময় আমার বড় ভাই আরেক চাকা ভেঙ্গে ফেলল। এবং বলছিল তোরা দুই চাকা দিয়ে শিখ।
এতক্ষণ ধরে আমরা তিনজন মিলে চালাচ্ছি আর তুই না থাকায় আমরা এতক্ষণ বেশি করে চালাতে পারলাম। তখন আমি বললাম আমাকে ডাকলি না কেন। তখন ওরা বলল তুই তো ভয়ে বাসা থেকে বারিস না। আর হ্যাঁ তারা ডাকলে আমি আরো উত্তর দিতাম না। আর তারা বলল তোরে এত ডাকলাম তুই তো উত্তর দিস না। এই কারণে আর বললাম না। তখন আমি বললাম তোরা থাক তোদের সাথে আর কথা বলবো না আর খেলব না আড়ি। তখন বাসায় ফিরে যাই আবার কিছুক্ষণ বাসায় এদিক-সেদিক ঘোরাফেরা করে। ভালো লাগতেছে না। কারণ তারা আমার ভাই না এক একটা জান। তখন আবার ওদের কাছে ফিরে যায়। আবার আড়ি ভেঙ্গে নি বলি চল আবার খেলা দুলা শুরু করি। আর তারা যখন আসলো তখন তো আমরা কি খুশি। একজন আরেক জনকে জড়িয়ে ধরি। আর যখন তাদের যাওয়ার সময় তখন আমরা একজন আরেক জনের দিকে তাকিয়ে কান্না করি।
আবার ফুফুর কাছে গিয়ে বলি আরো কয়েকদিন থেকে জান্না। উত্তর দিল ওদের স্কুল খোলা হয়ে গিয়েছে আর থাকা যাবে না। কি বলবো আর ওদের তো সময় হয়ে গিয়েছে যাওয়ার। আর ফুফুকে মানাতে পারলাম না। অথবা তারা চলে গেল তাদের বাসায়। আল্লাহ হাফেজ আজকে এতটুকুই আবার পরবর্তীতে শেয়ার করব।আমার জীবনের পরেভর্তি ১০ বছরের গল্পগুলো। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আল্লাহ হাফেজ।

