কলা বা টিস্যু

H

 

একই উৎস থেকে উদ্ভূত এবং এক আকৃতির বিভিন্ন আকৃতির কোষগুলো যখন মিলিত ভাবে কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে তখন এবং সমষ্টিগত কে একত্রে বলা হয় কলা বা টিস্যু।

উদ্ভিদ টিস্যু

উদ্ভিদ দেহে দুই ধরনের কলা দেখা যায় যথা ভাজক কলা এবং স্থায়ী কলা।

ক) ভাজক কলা: যে কলার কোষগুলো বিভাজনের সক্ষম তাকে ভাজক কলা বলে। উদ্ভিদের বর্ধনশীল অঙ্গে একলা অবস্থান করে। মূল ও কান্ডের অগ্রভাগে উদ্ভিদের বৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি হয়।

খ) স্থায়ী কলা: যে কলার কোষগুলো বিভাজনে অক্ষম তাকে স্থায়ী কলা বলে। খাদ্য উৎপাদন খাদ্য সঞ্চয় খাদ্য পানি খনিজ লবণ পানির পরিবহন বিভিন্ন অঙ্গের দৃঢ়তা প্রদান ইত্যাদি স্থায়ী কলার কাজ। উদ্ভিদ জাইলেম কলার মাধ্যমে মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে।

 

প্রাণিটিস্যু

কলা গঠনকারী কোষের সংখ্যা বৈশিষ্ট্য এবং আন্তঃকোষীয় পদার্থ বা মাতৃকার বৈশিষ্ট্য পরিমাণ উপস্থিতি অনুপস্থিতির ভিত্তিতে কলা প্রধানত চার প্রকার হয় যথা আবরণী কলা এবং স্নায়ু কলা।

ক) আবরণী কলা-

এই কলার কোষগুলোর সন্নিবেশিত এবং একটি ভিত্তি পর্দার উপর বিন্যস্ত থাকে। এই কলার মাতৃকা থাকে না। কোষের আকৃতি প্রাণীদেহে অবস্থান ও কাজের প্রকৃতিভেদে একলা তিন ধরনের হয়ে থাকে।

খ) যোজক কলা-

যোজক কলার মাতৃকার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি এবং কোষের সংখ্যা কম। গঠন ও কাজের ভিত্তিতে যোজক কলা প্রধানত তিন ধরনের হয়। যথা ফাইব্রাস স্কেলেটাল এবং তরল যোজক কলা।

গ) পেশী কলা-

ভ্রুনীয় মেসোডার্ম হতে উৎপন্ন সংকোচন-প্রসারণে বিশেষ ধরনের কলা কে পেশী কলা বলে। দেহের বিভিন্ন অঙ্গের সঞ্চালন চলন নিয়ন্ত্রণ করে এই কলা।

ঘ) স্নায়ু কলা-

যে বিশেষ কলা দিয়ে স্নায়তন্ত্র গঠিত তাকে স্নায়ু কলা বলে। স্নায়ু কলা যে বিশেষ কোর্স দ্বারা গঠিত তাকে স্নায়ুকোষ বা নিউরন বলে।

 

Thanks all for visiting my post.

Comments