Serey Weekly Photography Contest - 3// আমার সিলেট, জাফলং ও মৌলোভীবাজার ভ্রমণের কিছু ফটোগ্রাফি

H

আসসালামু আলাইকুম,

অসংখ্য ধন্যবাদ এরকম একটা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আয়োজিত কতৃপক্ষকে। আসলে এটা আমরা কমবেশি সবাই জানি যে একটা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী সংখ্যা নির্ধারিত থাকে। এবং আমি বা আপনি যে কেউ এই প্রতিযোগিতায় নিয়ম মেনে খুব সহজে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হতে পারি। সবকিছু সত্য একটা সহজ বিষয় আমাদেরকে মেনে নিতে হবে যে আমরা যত জন জয়েন করি না কেন প্রতিযোগিতায় প্রথম দ্বিতীয় এবং তৃতীয় মাত্র তিনজন মানুষ হয়ে থাকে।

যাহোক আমি অনেক বেশি আনন্দিত এরকম সাপ্তাহিক একটি ফটোগ্রাফিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পেরে।

এবং তৃতীয় সপ্তাহের প্রতিযোগিতায় আমি তুলে ধরব আমার এই 2021 সালের ফেব্রুয়ারি মাসের একটি ভ্রমণ কাহিনী বলতে পারেন। 

আপনাদের সামনে আমি যে ফটোগ্রাফি টি তুলে ধরেছি এটি আসলে মৌলভীবাজারের মাধবকুণ্ড পাহাড়ের। আমরা আসলে ভ্রমন প্রিয় মানুষ সকলেই কিন্তু দেখা যায় সুযোগ এবং আর্থিক সমস্যার জন্য আমাদের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেক জায়গায় ঘোরা সম্ভব হয় না। অনেক অসুবিধা থাকা সত্ত্বেও সবকিছুকে উপেক্ষা করে বিগত বছর করোনর সেই শোচনীয়' মুহূর্তে আমার সুযোগ হয়েছিল এই স্থানটি পরিদর্শন করার। আপনারা ফটোগ্রাফিতে দেখতে পাচ্ছি একটি সবুজ দৃশ্য এবং যেখানে রয়েছে অনেক উচু পাহাড় এবং পাহাড়ের গা ঘেঁষে ঝর্ণার পানি নামছে। ছবিতে দৃশ্যটা অনেক সুন্দর লাগছে যদিও কিন্তু বাস্তবে এই দৃশ্যটি আরো বেশি মনমুগ্ধকর। মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালাকে অসংখ্য ধন্যবাদ তার এই অপূর্ব সৃষ্টির জন্য। তবে আপনারা পাহাড়ে যে ঝরনর পানি দেখতে পাচ্ছেন যদিও এই অংশটা আমাদের বাংলাদেশ সীমান্তের মধ্যে অবস্থিত কিন্তু এই পানির উৎস ও ভারত।

এই তিনটি ফটোগ্রাফি ধারণ করা হয়েছে তিনটি ভিন্ন স্থান থেকে। একটি ফটোগ্রাফিক মাধবকুণ্ড পাহাড়ের পার্শ্ববর্তী অংশের যেখানে পাহাড়ের পাশ ঘেঁষে সুন্দর একটি রাস্তা চলে গিয়েছে মানুষ চলাচলের সুবিধার্থে। এবং এস থার্টি কিন্তু সহকারী প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে দিনরত 24 ঘন্টার জন্য। কারণ যেহেতু এটা সীমান্তবর্তী একটি এলাকা তাই জঙ্গিবাদ বা বিভিন্ন দুর্ঘটনাজনিত সমস্যাগুলো থেকে সাধারণ জনগণকে নিরাপত্তা রাখার জন্য এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা।

আর পরের ফটোগ্রাফিক দিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন পানির মধ্যে কিছু মাছ এটা আসলে সিলেটের শাহজালাল মাজারের অবস্থিত একটি হ্রদ বলতে পারেন। যেখানে পরিষ্কার পানিতে মাছ গুলোকে অনেক স্বাচ্ছন্দে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।

এবং তার পরের ফটোগ্রাফিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ছোট বড় পাথরের টুকরো এবং এটার রং সাদাটে। এটা আসলে আপনারা নাম শুনেছেন সাদা পাহাড়ের এই সেই সাদা পাহাড়ের কাছে অবস্থিত ছোট বড় অনেক পাথরের সমারোহ। প্রকৃতির এই মনোরম দৃশ্য গুলো পরিদর্শন করার জন্য প্রতিবছর এখানে অসংখ্য মানুষের আগমন ঘটে। বিদেশি পর্যটকরা আসেন এখানে ভ্রমণ করার জন্য। কারণ বাংলার এই সবুজ শ্যামল প্রাকৃতিক দৃশ্য পৃথিবীর অন্য কোন দেশে আপনি খুঁজে পাবেন না। এটা শুধু আমাদের কাছেই যে বেশি আকর্ষণীয় তা কিন্তু নয় গোটা পৃথিবী জুড়ে বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের খ্যাতি রয়েছে।

 

এই ফটোগ্রাফি টি মৌলভীবাজারের মাধবকুণ্ড পাহাড়ের পাশে একটি দৃশ্য। যেখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে মানুষের শ্রেষ্ঠ সৌন্দর্য যোগ হয়েছে।

এ ফটোগ্রাফি কি হচ্ছে আপনার-আমার এবং সারা বিশ্বের কাছে পরিচিত সেই সিলেটের চা বাগান। আসলে এই সিলেটের চা বাগানে যখন প্রবেশ করা হয় তখন মনে হয় আমি অক্সিজেনের মধ্যে রয়েছি। যেখানে শ্বাস-প্রশ্বাসের কোনো ঘাটতি নেই এবং মনে হয় অন্য সময়ের তুলনায় অনেক বেশি বিশুদ্ধ বায়ু অনুভব করছি। এবং সিলেটের এই চা বাগানে এসে আমার উপলব্ধি এটাই যে আমাদের প্রত্যেকের উচিত বাইরের দেশ সম্পর্কে কৌতুহল থাকা সত্ত্বেও যদি সুযোগ হয় যেনো এখানে এসে আপনারা প্রত্যেকে একবার পরিদর্শন করে যেতে পারেন।

এই সেই বিখ্যাত পাতা থেকে চা পাই আমরা। এবং পৃথিবীর যে প্রান্তেই আপনি পৌঁছাবেন না কেন জাপান করতে পারবেন সবখানেই।

প্রতিযোগিতার জন্য ধারণকৃত ফটোগ্রাফি গুলো নেয়া হয়েছে আমার নিজস্ব মোবাইল ক্যামেরা

Oppo A12

 

ধন্যবাদ সকলকে আপনাদের মূল্যবান সময় অতিবাহিত করে পরিদর্শন করার জন্য।

Comments