পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

I
imaran

হ্যালো বন্ধুরা,

আসসালামু আলাইকুম শুভ সন্ধ্যা কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই ভাল আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে আমিও ভাল আছি। আজ আমি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার করব পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে।

পিতা-মাতা হলো সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় অভিভাবক এবং সম্পদ। প্রত্যেক সন্তানের জীবনে তার পিতা-মাতার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি তাকে বড় করে তোলা ছোট থেকে। প্রত্যেক পিতা-মাতা সন্তান জন্মের পর থেকে তাকে পরম যত্নে লালন পালন করে তিলে তিলে থাকে মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তোলে কারণ জন্মের পরে কোন শিশু নিজে নিজে কোন কিছু করতে পারে না তার কোনো হিতাহিত জ্ঞান বোধ কিছুই থাকেনা পিতা-মাতা অজস্র কষ্ট ত্যাগ তিতিক্ষার পরে একটি সন্তানকে ছোট থেকে বড় করে তোলে এবং মানুষের মত মানুষ করে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলে।

 

সেতু প্রত্যেক সন্তানের তার পিতা মাতার প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকা আমাদের সকলের উচিত। কার পিতা-মাতা হলো সৃষ্টিকর্তার সবচেয়ে বড় নিয়ামত কারণ পিতা-মাতা মাধ্যমেই আমরা পৃথিবীতে আমাদের আগমন ঘটেছে এ সুন্দর পৃথিবীতে আমরা বসবাস করতে পারছি আলো বাতাস উপভোগ করতে পারছি। তাই তাদের কৃতজ্ঞতার কথা শেষ করা যাবে না বলে।

 

পিতা-মাতা কষ্ট পাই এমন কোন কাজ কোন সন্তানের করা উচিত নয় কারণ আমাদেরকে সবসময় খেয়াল রাখতে হবে পিতা-মাতা কিসের সব সময় খুশি থাকে কারণ তারা তাদের যৌবন ব্যয় করেছে আমাদেরকে মানুষ করার জন্য তাদের সুখ শান্তি বিসর্জন দিয়ে প্রত্যেকটি সন্তান মানুষ করার জন্য সেহেতু এখন বৃদ্ধ বয়সে প্রত্যেক সন্তানের উচিত তার পিতা-মাতার প্রতি যত্নশীল হওয়া এবং তারা যাতে খুশি হয় আমাদেরকে সবসময় সেদিকে নজর রাখা কোন পিতা-মাতা যেন কখনো কোনো সন্তানের প্রতি বদদোয়া না করে সেদিকে খেয়াল রাখা কারণ পিতা-মাতার বদদোয়া সবচেয়ে ভয়ানক জিনিস কারণ সৃষ্টি কর্তা পিতা-মাতাকে সবসময় কবুল করে থাকেন এবং সে সন্তান কে ধ্বংস করে দেন কখনো পিতা-মাতা-সন্তান কখনো বড় হতে পারে না।আমাদের সবসময় খেয়াল রাখতে হবে পিতা-মাতা যাতে কখনো সামান্য পরিমান কষ্ট না পেয়ে থাকি আমাদের কথাবার্তা চালচলন এ বা আমাদের কোন আচার ব্যবহারে।

 

পিতামাতার কাছ থেকে আমাদের বেশি বেশি করে দোয়া নিতে হবে এবং তাদের সব সময় খেয়াল রাখতে হবে তাদেরকে নিয়ে বাইরে বেড়াতে যেতে হবে তাদেরকে যথেষ্ট সময় দিতে হবে কারন বৃদ্ধ বয়সে পিতা মাতা আমরা যখন শিশু ছিলাম তাদের মন-মানসিকতা অনেকটা শিশুসুলভ হয়ে যায় তাই তাদের সবকিছু আমাদেরকে ঠান্ডা মাথায় এবং আন্তরিকতার সাথে সবসময় সেগুলো কে খেয়াল রাখতে হবে এবং সবকিছু সহ্য করতে হবে এবং তাদের প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা বিনিময় করতে হবে তাহলেই পিতা-মাতা খুশি হয়ে থাকবেন পিতা-মাতার কখনো উচ্চস্বরে তাদের সাথে কথা বলা যাবে না কারণ মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের জান্নাত।

আপনি যখন পরিপক্ক বয়সে পরিণত হয় তখন বিয়ের পরে অনেক সন্তান তার পিতা-মাতাকে ভুলে যায় এবং বৃদ্ধ বয়সে তাদের আবাসস্থল বৃদ্ধাশ্রমের তাদের ঠিকানা হয়ে থাকে তাই এটা কখনো উচিৎ নয় কারণ যে পিতা-মাতা তাদের যৌবন অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে সমস্ত সুখ বিসর্জন দিয়ে আপনাকে আমাকে মানুষ করেছে তাদেরকে কখনো আমি নিজেদের থেকে দূরে রাখা এটা কোন পিতা-মাতার কাম্য নয়।তাই কোন পিতা মাতার ঠিকানার জন্য সন্তান ছাড়া দূরে বৃদ্ধাশ্রমের না হয়ে থাকে।

আমরা কখনই পিতামাতাকে কষ্ট দিব না তাদের স্বপ্নকে পূরণ করার জন্য আমরা সব সময় চেষ্টা করব এবং তারা যাতে খুশি হয় সেদিকে আমরা সর্বোচ্চ খেয়াল রাখবো তাহলে পিতা-মাতা খুশি হলে সৃষ্টিকর্তাও আমাদের প্রতি খুশি হয়ে যাবেন।

বন্ধুরা আজ এ পর্যন্ত সকলে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন এই প্রত্যাশা রইল সকলের প্রতি। আল্লাহাফেজ।

Comments