আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ, সম্মানিত বন্ধুরা আশা করি সকলে ভালো আছেন! আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভাল আছি। আজকে আপনাদের মাঝে আলোচনা করব: গ্রামীন পরিবেশের সৌন্দর্য নিয়ে।
অনেকদিন পর গ্রামে আসলাম গ্রামের আবহাওয়া অনেক ভালো লাগতেছে, গ্রামে থাকার যে আনন্দ যে মজা সেটা সবাই উপভোগ করতে পারে না। গ্রামে থাকার আনন্দ বুঝতে পারবে ।যারা গ্রামে থেকে জীবন অতিবাহিত করেছে,
তারাই একমাত্র বলতে পারবে যারা গ্রামে নিজের জীবন অতিবাহিত করেছে,
সত্যি কথা বলতে যার কাছে যাই লাগুক,, আমার কাছে গ্রামীণ পরিবেশ টি অনেক ভালো লাগে। কারণ হলো আমি ছোট থেকে শহরে বসবাস করেছি শহরে বড় হয়েছি, কিন্তু গ্রামের পথে চেয়ে একটি মায়া মহাব্বত, সেটি আমার চিরজীবন রয়ে গেছে, আমি কখনো নিজের গ্রামকে ভুলতে পারিনা।
তাই আমি আজও আমার সেই গ্রামে চলে এসেছি মাদ্রাসায় ছুটি পাওয়া কিছু সময় অতিবাহিত করার জন্য। সত্যি বলতে না গ্রামে থাকার মজাটাই আলাদা। এই মজা আনন্দ শুধু তারাই অতিবাহিত করতে পারবে যারা নিজের জীবনের কিছু অংশ অতিবাহিত করেছে, গ্রাম অঞ্চলের।
গ্রামের প্রতি কেমন যেন একটি আলাদা মায়া মহাব্বত সৃষ্টি হয়ে গেছে, যা শত চেষ্টা করলেও ভুলতে পারিনা। আসলে নিজের মাতৃভূমি তো। কখনো ভোলা যায়না। তার মাতৃভূমি কে অস্বীকার করে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়। কারণ সবাই সবার মাতৃভূমিকে আত্তাদিক ভালোবাসে অত্যাধিক মোহাব্বত করে।
কাউকে যদি তার মাতৃভূমি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। তাহলে সে অনেক কষ্ট পাবে। যেমন কষ্টের সম্মুখীন হয়েছিল। হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। কে নিজের মাতৃভূমি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারবার মক্কা থেকে তাকাচ্ছিলো, কারণ মাতৃভূমি সভায় অনেক ভালোবাসে, কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম,
কে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রহমতস্বরূপ পেরন করেছেন, তাই আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আদেশ করেন মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন। এটাই হলো রাসুলের ঐতিহ্য ছিল।এমনিভাবে প্রত্যেকটা মানুষ নিজের মাতৃভূমিকে অনেক ভালোবাসা কেউ চায় না তার মাতৃভূমি ছেড়ে যেতে।
এটাই ছিল আজকে মাতৃভূমি নিয়ে লেখা আমার কিছু কথা সকলে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন সকলের জন্য দোয়া করি। আসসালামু আলাইকুম।


