বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
হ্যালো বন্ধুগন আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই অনেক ভাল আছেন, আমিও আপনাদের দোয়া এবং সৃষ্টিকর্তার রহমতে অনেক ভাল আছি।
আজকে অনেকদিন পর আনন্দের কিছু সময় কাটলো, অনেকদিন আগে এই রকম অনুষ্ঠান একবার দেখেছিলাম, ঠিক কবে দেখেছিলাম সেটা মনে নাই। তবে আজকের আয়োজনটা ছিল একটু ভিন্ন রকম। আজকের অনুষ্ঠানে আমি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলাম।
আজকের অনুষ্ঠানটা একটা প্রতিযোগিতা, আমরা সবাই ঘোড়া চিনে থাকি, আজকে সেই ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। আজকের ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করে পাঁচ নং বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ। আজকের ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মোঃ তসিকুল ইসলাম তসি।
আজকের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঘোড়া নিয়ে প্রতিযোগীরা অংশ গ্রহণ করেন। আজকের প্রতিযোগিতায় সব ঘোড়াকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়। প্রথম ভাগে ছোট ঘোড়া, দ্বিতীয় ভাগে মাঝারি গোড়া এবং তৃতীয়ত ভাগে বড় ঘোড়া রাখা হয়।
সকাল এগারোটার সময় প্রতিযোগিতা শুরু হয়, আমরা আমাদের মাদ্রাসার ছাত্র সহ সকাল দশটায় ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতার মাঠে উপস্থিত হই। প্রথমে ছোট ঘোড়ার দৌড় শুরু হয়। আজকের প্রতিযোগিতায় প্রায় চল্লিশটা ঘোড়া অংশগ্রহণ করে।
আজকের প্রতিযোগিতার বিশেষ আকর্ষণ ছিল ছোট একটা মেয়ে এবং ছোট একটা ছেলে ঘোড়া নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। ছোট মেয়েটার সাথে তার আরেক বোন আজকের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
আমি ছোট ছেলে এবং মেয়েকে দেখে অবাক হয়ে যাই, এবং চিন্তা করতে থাকি যে, এরা কি ঘোড়া চালাতে পারবে, কিন্তু যখন ঘোড়া নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করে তখন এই ছোট দুইজন দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়। এদের ঘোড়া চালানো দেখা আমি অবাক হয়ে গেছি।
আজকের ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত চলে। বিকাল চারটা থেকে ফাইনাল রাউন্ড শুরু হয়, প্রথমে গ্রুপ সি এর ছোট ঘোড়ার ফাইনাল রাউন্ড শুরু হয়, এই গ্রুপে ছোট মেয়েটি চ্যাম্পিয়ন হয়, এরপর গ্রুপ বি এর মাঝারি ঘোড়ার দৌড় শুরু হয় এই গ্রুপে ছোট ছেলেটা চ্যাম্পিয়ন হয়, এরপর গ্রুপ এ এর বড় ঘোড়ার দৌড় শুরু হয়। প্রতিযোগিতা শেষে সব থেকে বড় দুইটা ঘোড়ার দৌড় শুরু হয়। সবাই ঘোড়া দুইটা দেখে অবাক হয়ে যায়।
আজকের ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা আমার কাছে খুব ভাল লেগেছে, প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার প্রথম থেকে অসংখ্য মানুষ আসতে থাকে। এবং প্রতিযোগিতার ফাইনালের সময় সমস্ত মাঠ মানুষ দিয়ে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। প্রতিযোগিতা শেষ হলে আমরা মাদ্রাসায় চলে আসি।
ধন্যবাদ সবাইকে আমার আজকের পোস্ট পড়ার জন্য।

