টিকটক শব্দটির সাথে একটু হলেও পরিচিত নয় এমন ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া খুবই কষ্টকর।আমার মনে হয় এখানে প্রত্যেকেই টিক টক এর সাথে পরিচিত। টিকটক এমন একটি অ্যাপস যা একটি ভিডিও হোস্টিং অ্যাপ। এবং সহজ কথায় বলতে গেলে সর্ব সহজ পন্থায় সেলিব্রেটি হওয়ার একটা মাধ্যম।
বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের এই টিকটকের ভাইরাল হওয়া এমন একজন ব্যক্তি সম্পর্কে বলব যার নাম রিয়াজ।
আমি বাংলাদেশী সিনেমায় অভিনয় করা রিয়াজ এর কথা বলছি না ইনি হলেন সেই রিয়াজ যিনি ছোটবেলা থেকেই টিকটক বা অন্য ভিডিও হোস্টিং এ্যাপ গুলোতে ভাইরাল হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু তাতে ভালো মানের ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল বা ডিএসএলআর না থাকায় তিনি এসব কাজে সফলতা পান নি।সর্বশেষ যখন তিনি এসএসসি পরীক্ষা দেবেন তখন তার বাবা তাকে শর্ত দেয় যদি পরীক্ষায় পাশ করে তাহলে তাকে একটা ভালো মানের মোবাইল কিনে দেবে।
তার বাবা আরও সত্য দেয় কিন্তু তাকে ভালোভাবে লেখাপড়া করতে হবে। এখন যেহেতু তার মোবাইল ফোনটা দরকার তাই সে রাজি হয়ে যায়। সে লেখাপড়ায় তেমন একটা ভালো ছিল না কারণ তার সেখানে মনই ছিল না। তার মন সবসময় করে রাখত কখন সে সেলিব্রেটি হবে। সে সর্বশেষ যখন এসএসসি পরীক্ষায় পাশ করে তখন তাকে তার বাবা একটা মোবাইল ফোন কিনে দেয়।
মোবাইল ফোনটা হাতে পাওয়ার পর সে কলেজে ভর্তি হয় ঠিকই কিন্তু লেখাপড়া করে না। অবশেষে তিনি টিক টক এ ভাইরাল হয়ে যান এবং একজন সেলিব্রেটি হয়ে যায়।
বর্তমান টিক টক এ তার ফলোয়ার 38 মিলিয়ন। তার এই সফলতার পিছনে যেমন তার সৌন্দর্য এবং তার অভিনয় করার জায়গারও সৌন্দর্যের কারণ রয়েছে।
রিয়াজ ভারতের একটা রাজ্যে বাস করলেও সে নিজেকে ভুটানের নাগরিক মনে করে। আসলে এরকমটা সে দাবি করলেও প্রকৃতপক্ষে সে ভারতের নাগরিক।
রিয়াজের অভিনয়ের সময় তার ব্যাকগ্রাউন্ড এর সৌন্দর্যের রহস্য আসলে ভুটান এবং ভারতের সীমান্তবর্তী স্থান।
অর্থাৎ সে অভিনয় করে ভারতে থেকে কিন্তু তার পিছনের সম্পূর্ণ দৃশ্য ভুটানের।
এবং চেহারায় অতিরিক্ত সৌন্দর্যের কারণে মেয়েদের মন খুব তাড়াতাড়ি জয় করে নেয়।
এভাবে একটা সময় সে সেলিব্রেটি হয়ে যায়। বর্তমান সময়ে টিকটকের আলোচিত নাম রিয়াজ।
বন্ধুরা কোন কিছুতে সফলতা অর্জন করতে চাওয়া স্বাভাবিক।
কিন্তু আপনারা কখনই রিয়াজের মত নিজেদের ভবিষ্যতকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়ে এরকম সফলতা অর্জনের চেষ্টা করবেন না।
ধন্যবাদ সবাইকে আমার লেখাগুলো এতক্ষণ মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য।

