বর্তমান বাঘের অবস্থা

M
বন উজাড়, অবৈধ চোরা শিকারসহ আরও নানা কারণে বাংলাদেশের জাতীয় পশু ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশটিকে প্রতিনিধিত্ব করা বাঘ এখন মহা-বিপন্নের তালিকায় রয়েছে। এশিয়ার মধ্যে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বৃহত্তম আবাসভূমি সুন্দরবন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই বনকে তাদের বসবাসের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ করা যায়নি। শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং বিশ্ব থেকে উল্লেখজনক হারে সব প্রজাতির বাঘ কমতে থাকায় ২০১০ সালে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে প্রথমবারের মতো বাঘ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে অংশ নেয় বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশ।ওই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্বে বাঘের সংখ্যা এক যুগের মধ্যে দ্বিগুণ করা।

সম্মেলনে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা হবে বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।নেপাল, ভারত, ভুটান, ইন্দোনেশিয়াসহ কয়েকটি দেশ এরই মধ্যে তাদের বাঘের সংখ্যা দেড় থেকে প্রায় দুই গুণ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু এই লক্ষ্য থেকে এখনও অনেক পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সুন্দরবনের বাইরেও দক্ষিণ-পূর্বের পার্বত্য অঞ্চলেও কিছু বাঘ আছে বলে জানা গেছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু উদ্যোগ নিলে বাংলাদেশ তাদের বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করার লক্ষ্য পূরণ করতে পারবে।সবশেষ ২০১৮ সালের জরিপে দেখা যায় বাঘের মোট সংখ্যা ১১৪টি। অর্থাৎ তিন বছরে বাঘের সংখ্যা বেড়েছ মাত্র ৮টি। যা অন্য দেশের অনুপাতে আশানুরূপ নয়।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুন্দরবন এর দ্বিগুণ সংখ্যক বাঘ ধারণ করার ক্ষমতা রাখলেও, শিকার ও হত্যা বন্ধ না হওয়ায় কোনভাবেই বাঘের সংখ্যা বাড়ানো যাবে না জে ।

Comments