জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে দেশের নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যে চেষ্টা চলছে, সেটি নাগরিকদের নির্বাচনে আস্থা সম্পূর্ণরূপে শেষ করে দেবে।
নির্বাচন মানেই জনগণের ইচ্ছার প্রকাশ। কিন্তু যখন বিরোধী দল নিষিদ্ধ হয়, তখন সাধারণ মানুষের ভোটের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়। এতে নির্বাচনের ফলাফল হয় একতরফা, যা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
নির্বাচনের পেছানো মানেই দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার পথ প্রশস্ত করা। নির্বাচনে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হলে রাজনৈতিক বিতর্ক বন্ধ হয়ে যায়, আর দেশ চলে একনায়কতান্ত্রিক শাসনের দিকে।
এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতন্ত্রের জন্য এক ভয়ঙ্কর সংকেত। জনগণের হাতে নির্বাচন থেকে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ কেড়ে নিয়ে তারা নির্বাচনকে রাজনৈতিক খেলায় পরিণত করতে চায়।
এখন সময়, দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াবেন, যাতে নির্বাচন হয় সুষ্ঠু, সময়মতো এবং সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে।


