
এই কথাটা আগেও শুনেছি, কিন্তু আসলে ঠিকভাবে গুরুত্ব দেইনি। একটু জ্বর-সর্দি হলেই নিজের মনমতো ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খেয়ে ফেলতাম। ভাবতাম, “এই তো, আগেও খেয়েছি, আবার খেয়ে নিই।” এখন বুঝি, এটা একটা বড় ভুল।
একেক রোগের লক্ষণ এক হলেও, কারণটা এক নাও হতে পারে। ডাক্তার না দেখলে তো বুঝাই যায় না ভেতরের ব্যাপারটা আসলে কী। নিজের মতো করে খেয়ে অনেক সময় আসল রোগটাই ধামাচাপা পড়ে যায়, কিন্তু পরে গিয়ে সেটা আরও বড় সমস্যায় রূপ নেয়।
আর একটা বিষয় খেয়াল করেছি—সব ওষুধ সবার শরীরে একভাবে কাজ করে না। কারো শরীর কোনটা নিতে পারে, কোনটা না পারে, সেটা বুঝতে গেলে চিকিৎসকের অভিজ্ঞতা দরকার। শুধু পরিচিত ওষুধ বলে খেয়ে ফেললে, কখন যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় বিপদ হয়, কে জানে!
আরও খারাপ লাগে যখন দেখি মানুষ অ্যান্টিবায়োটিক পর্যন্ত নিজের মতো খায়। আমি নিজেও আগে করতাম, কিন্তু পরে জেনেছি—এতে শরীরে রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়। ভবিষ্যতে যখন সত্যিকারের প্রয়োজন হবে, তখন ওষুধ কাজ না-ও করতে পারে।
এইসব মিলিয়ে এখন আমি একটা জিনিস খুব পরিষ্কার বুঝেছি—শরীর খারাপ লাগলে নিজের থেকে কিছু না করে একজন ভালো ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। অনেক সময় হয়তো ওষুধ লাগেই না, শুধু কিছু নিয়ম মানলেই হয়। কিন্তু সেটা না জেনে উল্টো ওষুধ খেয়ে শরীরের আরও ক্ষতি করছি।
নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি—নিজের শরীরের যত্ন নিজেকেই নিতে হবে, আর সেটা শুরু হয় সঠিক পরামর্শ থেকে।


