আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমি আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের বলব, 14 ফেব্রুয়ারি মূল রহস্য। আশা করি এটি পড়ে আপনাদের খুবই ভালো লাগে। এইদিবসটি মুসলমানের কোন দিবস নয়।
ইতিহাস গবেষকদের লিখনী থেকে যা পাওয়া যায়- যীশু খ্রিস্টের জন্মের আগে চতুর্থ শতকে পৌত্তলিক, মূর্তি পূজারীদের সমাজে বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচলিত ছিল। তারা বিভিন্ন দেবতাকে পূজা করত। তাদের বিভিন্ন দেবতা ছিল। তারা সূর্য দেবতার পূজা করত।
পশু-পাখির জন্য একটি দেবতাকে তারা কল্পনা করত। জমির উর্বরতার জন্য একটি দেবতাকে তারা বিশ্বাস করত। দেবতার নাম হচ্ছে লুপারকালিয়া। এই দেবতার সম্মানে তারা একটি অনুষ্ঠান করত।তখনকার কাঁদা ছাড়া এই উৎসবটি পালন করত। এই অনুষ্ঠানের একটি কর্মসূচি ছিল, যুবতীদের নামে লটারি ইস্যু করা হত।
লটারিতে যে যুবতী যে যুবকের ভাগে পড়ে আগামী বছর এ দিন আসা পর্যন্ত সে যুযবতীকে যুবক ভোগ করত। অর্থাৎ লটারির মাধ্যমে যুবতীদের বণ্টন করা হত। আগামী বছর লটারি না দেয়া পর্যন্ত যুবতী এ যুবকের কাছে থাকবে।চিনিস তিনজন ছিল তখনকার কালী কি নিষ্ঠুর নিয়ম ছিল তখনকার কালে।
সেদিন দেবতার নামে পশু উৎসর্গ ও জবাই করা হত। জবাইকৃত ছাগলের ছামড়া তুলে যুবতীর গায়ে জড়িয়ে দেয়া হত। তারপর ছাগলের রক্ত এবং কুকুরের রক্ত রঞ্জিত একটি চাবুক যুবকের হাতে দেয়া হত। যুবক সে চাবুক দিয়ে ছামদড়া পরিহিতা যুবতীকে আঘাত করত। তারা মনে করতো, এই চাবুকের আঘাতের কারণে এ যুবতীটি সন্তান জন্ম দেয়ার উপযুক্ত হবে।
আর এ অনুষ্ঠানটি পালিত হত ১৪ ফেব্রæয়ারি। এরপরে খ্রিস্টধর্র্ম আবির্ভূত হলো।এটা খুবই নিষ্ঠুর একটি গ্রাম ছিল। আশা করি সবারই ভালো লাগলো আমার লেখাটি পড়ে। পড়েছেন তাদের ধন্যবাদ। সবাই ভাল থাকবেন। আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ

