আসসালামুআলাইকুম আশা করি সবাই ভাল আছেন আপনাদের দোয়ায় আমিও মোটামুটি ভালোই আছি আজকে আমি যে বিষয়টি নিয়ে আপনার সাথে কথা বলতে চাই সেটা হল কাজী নজরুল ইসলাম,তিনি আমাদের বাংলাদেশের বিদ্রোহী কবি। বিংশ শতাব্দীর বাংলা বানানে কাজী নজরুল ইসলামের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেন কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দের ২৪ শে মে এখনকার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ফকির আহমেদ এবং তার মা তার নাম জাহেদা বেগম। কাজী নজরুল ইসলামরা ছিল তিন ভাই দুই বোন। ছোটবেলায় তার ডাকনাম ছিল দুখু মিয়া। কাজী নজরুল ইসলাম মাত্র নয় বছর বয়সে সে তার বাবাকে হারায় কিন্তু সে তার বাবার কাছ থেকে সেই 9 বছর বয়সেই অনেক কিছু জানতে পেরেছিল সে তার বাবার কাছ থেকে উদারতা ও ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞান সাধন করতে পেরেছিল।
কাজী নজরুল ইসলাম তিনি পড়াশোনায় অনেক ভালো ছিলেন। তিনি তার গ্রামের কাজী ফজলে আহমেদ এর কাছ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি পড়াশোনায় যেমন দুর্দান্ত ছিলেন। কিন্তু সেই ৯ বছর বয়সে তার বাবাকে হারিয়ে সে অনেক কষ্টে জীবন যাপন কাটাচ্ছিল। সেই সময়ে তার বাবাকে হারিয়ে সে নয় বছর বয়সে তাকে জীবিকা সন্ধান করতে হয়। তার আর্থিক সমস্যা থাকার কারণেও সেই সময় নেই লেখাপড়া ছাড়েননি। সে কষ্টের ভেতরেই তিনি তার লেখাপড়া চালিয়ে গিয়েছে। কাজী নজরুল ইসলামের শিক্ষা জীবন শুরু হয় রানীগঞ্জের সিয়ারসোল স্কুল থেকে। সেখানে তার পড়াশোনা ভালোই চলছিল। এরপর স্কুলজীবন শেষ করে সে বর্ধমানের মাথরুন উচ্চ বিদ্যালয় ভর্তি হন। সেখানে পড়াশোনা চলাকালীন সময় তার আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ থাকার কারণে সে বাধ্য হয়ে তার পড়াশোনা ছেড়ে দিতে হয়। তারপর তিনি ভাবতে থাকেন তিনি কী করবেন, তখন তার মাথায় একটু বুদ্ধি আসে সে কবিগানের দলে যোগ দিবেন। তারপর তিনি তার এলাকার কিছু লোকজন দের সাথে কবিগানের দলে যোগদান করেন। কবিগানের দলে যোগ দিয়ে সেখানে তিনি নিজেই গান লেখা শুরু করে দেয় এবং কি তিনি নিজেই সেই গানের সুর দিতে থাকেন। এভাবে তার দিনকাল ভালোই চলছিল। তারপর তিনি আবার সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি আবার স্কুলে ভর্তি হবেন পড়াশোনার জন্য। তখন আবার তিনি রানীগঞ্জের সিয়ারসোল স্কুলে ভর্তি হন। তখন তিনি দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন।
তিনি যখন দশম শ্রেণীতে পড়েন তখনই শুরু হয়েছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ তখন আবার পড়াশোনা ত্যাগ করে সে রেঙ্গলি রেজিমেন্টে যোগদান করেন। এরপর তার নতুন জীবনের সূচনা হয় তিনি তখন সৈনিক জীবনে পা রাখেন। এরপর ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়। তারপর কাজী নজরুল ইসলাম যে বেঙ্গলি রেজিমেন্ট সংগঠনে যোগ দিয়েছিলেন সেই সংগঠনটি ভেঙে দেওয়া হয়। তিনি যখন যুদ্ধ করতে গিয়েছিলেন তখন যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে অনেক রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি অনেক লেখালেখি করেন। তিনি তার পরাজয় টা বুঝতে পেরেছিলেন। কিন্তু সেই পরাজয় তিনি মানতে পারতেছিলাম না। তারপর তিনি তার নিজেরদেশে ফিরে আসে। এভাবে তার দুঃখ-কষ্ট শান্তি নিয়ে তার জীবন চলছিল। কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৪১ সালে তিনি তাঁর বাকশক্তি হারান। এরপর তাকে অনেক চিকিৎসার করানো হয়েছিল কিন্তু তাতে কোন কাজ হয়ে হয়েছিল না। তিনি তখন অনেক কষ্টে জীবন যাপন করতেন, একদিন হঠাৎ করেই তিনি তার মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন,এরপর ১৯৭২সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে আমন্ত্রণ করেন এবং তিনি তখন তার পরিবার নিয়ে বাংলাদেশে আসেন এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেন।


অভিনন্দন! আপনার পোস্টটি সেরিবাংলাদেশের কমিউনিটি আইডি থেকে কিউরেশন করা হয়েছে। আপনি সেরি বাংলাদেশ ডিসকর্ড সার্ভারে get_upvote_serey চ্যানেলে আপনার পোস্ট লিঙ্ক জমা দিয়ে প্রতি 24 ঘন্টার মধ্যে একবার আমাদের কমিউনিটি থেকে ভোটের অনুরোধ করতে পারবেন, ধন্যবাদ।
Join sereyBangladesh Discord server:- Join Discord (https://discord.gg/YKPqUku8)
Join sereyBangladesh Telegram :- Join Telegram (https://t.me/SereyBangladesh)