বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গাতে এখন নারকেল গাছের চাষ করা হয়ে থাকে বাংলাদেশ নারকেলের প্রচুর পরিমাণে চাহিদা রয়েছে যার কারণে বিভিন্ন জায়গায় নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করে অনেকেই আছে যারা নারকেল চাষ করছে এছাড়া এটি একটি লাভজনক ফসল বলে আমি মনে করি কারণ এর যেহেতু বাজারে চাহিদা রয়েছে তাই বাজারে নারকেলের বিক্রি করে টাকা আয় করা যায়।
বাংলাদেশ এখন বিভিন্ন ধরনের নারকেলের যা পাওয়া যায় কিছু কিছু নারকেলের জাত আছে যেগুলো খুব অল্প দিন থেকেই নারকেল ধরতে শুরু করে গাছে সাধারণত আমরা লক্ষ্য করলে দেখতে পাব আমাদের এলাকাতে বিদেশি নারকেল গাছ গুলো দেখতে পায় সেগুলোতে নারকেল ধরতে হতে প্রায় 5 থেকে 7 বছর বা তারও বেশি সময় লেগে যেতে পারে।
কিন্তু এখন আমরা অনেক উন্নত মানের নারকেলের চারা দেখতে পায় যেগুলো দুই থেকে তিন বছরের মধ্যেই নারকেল ধরতে শুরু করে এবং গাছগুলোর উচ্চতা বড় না হওয়া থেকে শুরু করে নারকেল ধরতে শুরু করেন যেহেতু খুব অল্প বয়স থেকেই চারাগুলো থেকে আমরা নারকেল ফল পেয়ে থাকি তাই গাছ নারকেল গাছ লাগিয়ে আমরা অনেক লাভবান হতে পারি।
গ্রামাঞ্চলে আমরা নজর দিলে দেখতে পাবো গ্রামাঞ বাড়ির আশে পশে নারকেল গাছ লাগাই এবং সেখানে নিজের লে বিভিন্ন ফাঁকা জায়গা তে নারকেল গাছ লাগানো হয় বাড়ির উঠানে বাড়ির ভিতরে ও নারকেল গাছ লাগানো হয়ে থাকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রাস্তার ধারে নারকেল গাছ লাগানো হয়ে থাকে অনেকেই রয়েছে যারা বাড়ির আশেপাশে নারিকেল গাছ লাগাই এবং নিজের চাহিদা মিটিয়ে বাজারে বিক্রিও করে অনেকে।
বাজারে আমরা সাধারণত দুই ধরনর নারকেল পায় সেটা হচ্ছে নারিকেল ছোট অবস্থায় বাজারে বিক্রি করলে সেটাকে আমরা ডাব বলে থাকি আর নারিকেল বড় হয়ে গেলে বা নারকেল ভিতরে শেষ হওয়ার পরে যখন তারা নারকেল পরিপুষ্ট হওয়ার পরে যখন নারিকেল পেড়ে বিক্রি করা হয় তখন সেটাকে নারিকেল বলা হয়ে থাকে।
বিভিন্ন ধরনের খাবারের নারিকেল ব্যবহার করা হয়ে থাকে যার কারণে এর চাহিদা অনেক বেশি তাই বাজার মূল্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অনেক নতুন কিছু উদ্যোক্তারা নারিকেল চাষের উপযোগী হচ্ছে যার ফলে এতে করে আমাদের দেশের নারকেলের চাহিদা যেমন যেমন ভাবে তেমনি এসে উদ্যোক্তারা অনেক লাভবান হবে এই নারকেল গাছের চাষ করে।


