অনুবাদ সাহিত্য বাংলা ভাষা ও সাহিত্য

P
piya3



বাংলা অনুবাদ কাব্যের সূচনা হয় মধ্যযুগে।

সংস্কৃত ভাষা থেকে
রামায়ন
বাল্মিকী অবসর সংস্কৃত ভাষায় বাংলা রামায়ণ রচনা করেন। এবং এটাতে বিশ্বাস করার ইচ্ছা ছিলেন রাম লক্ষণ সীতা প্রভৃতি। রামায়ণের প্রথম বাংলা অনুবাদক কৃত্তিবাস ওঝা এবং গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ এর নির্দেশে কৃত্তিবাস বাংলায় রামায়ণ অনুবাদ করেন। রামায়ণের প্রথম মহিলা বাংলা অনুবাদক চন্দ্রাবতী এই এই নাতনির সঙ্গে আমরা অনেকেই পরিচিত যারা বাঙালি এবং বাংলা সাহিত্য নিয়ে যারা কি হলেও হয়তো সুযোগ হয় না তারপরও যারা কিছুটা চেষ্টা করি তাদের কাছে এই নামটি পরিচিত এবং সামনে চলে আসে। চন্দ্রাবতী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি এবং তিনি কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের মানুষ ছিলেন তার পিতার নাম ছিল দ্বিজ বংশী দাস।


মহাভারত
রচয়িতা বেদ ব্যাস সংস্কৃত ভাষায় রচিত একব্যয়ের মূল বিষয় হলো গৌরব ও পান্ডবদের গৃহ বিপদ এবং কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধের ঘটনাবলী। তবে সর্বোপরিষরে আমার প্রাপ্ত জ্ঞান এই মহাভারত থেকে যে পারিবারিক দ্বন্দ্বের যে কাহিনীটি এটি আসলেই ঘটে পারিবার িক শত্রুদের মাধ্যমে অর্থাৎ যাদেরকে অনেক ঘনিষ্ঠ মনে করা হতো এরকমই একজন কোচক্রীলক নিজে স্বার্থ বা আক্রোশ অর্থাৎ প্রতিবাদ বলতে পারেন যার স্বার্থ উদ্ধার করার জন্য ঘরের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে যার ফলে এটি বৃহত্তর রূপ ধারণ করে পরবর্তীতে। এটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত এবং এ কাব্যের মূল বিষয় হলো কৌরব পাণ্ডবদের গৃহবিবাদ এবং কুরুক্ষেত্রের। কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের ব্যাপ্তিকাল ছিল ১৮ দিন এবং এই ১৮ দিনের ঘটনা যদি আপনারা কেউ পড়ে থাকেন তাহলে হয়তো আপনাদের জানা আছে আসলে এ ১৮ দিন কি কি ঘটেছিল যেটা আসলে খুবই নির্মম এবং দুঃখজনক। মহাভারতের প্রথম বাংলা অনুবাদক কবীন্দ্র পরমেশ্বর এবং তার অনূদিত গ্রন্থের নাম পরাগলী মহাভারত। শ্রীকর নন্দী অনূদিত গ্রন্থের নাম ছুটিখানি মহাভারত এবং মহাভারতের শ্রেষ্ঠ বাংলা অনুবাদক কাশীরাম দাস।



Comments