ছবি আঁকার

S
sohel5454

ছবি আঁকার বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে। পেনসিল, কালি-কলম, জলরং, তেলরং, প্যাস্টেল রং, অ্যাক্রেলিক রংসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছবি আঁকা যায়।ছবি আঁকার বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছেছবি আঁকার বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে। পেনসিল, কালি-কলম, জলরং, তেলরং, প্যাস্টেল রং, অ্যাক্রেলিক রংসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছবি আঁকা যায়।এ অধ্যায়ে আমরা ছবি আঁকার মাধ্যম— পোস্টার রং, অ্যাক্রেলিক রং ও জলরং সম্পর্কে জানব।

 

শশুদের পোস্টার রঙে আঁকা ছবিL

 

এ অধ্যায় পড়া শেষ করলে আমরা

 

পোস্টার রং এবং তার ব্যবহার সম্পর্কে জানতে পারব। অ্যাক্রেলিক রং এবং তার ব্যবহারবিধি বর্ণনা করতে পারব

 

জলরং এবং তার প্রয়োগ পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব ছবি আঁকার জন্য ছোটদের কাছে প্রিয় একটি মাধ্যম হচ্ছে পোস্টার রং। এটি মূলত পানি মাধ্যমের রং (water baised)। এই রং পানি দিয়ে মিশিয়ে আঁকতে হয়। জল রঙের তুলনায় পোস্টার রং ভারী ও মোটা। একে অস্বচ্ছ রং বলা যায়। কারণ হলো, একটির উপর অন্য একটি রঙের প্রলেপ দিলে আগের রংটি সম্পূর্ণ ঢেকে যায়। আগের রঙের অস্তিত্ব হারিয়ে যায়। পোস্টার রং বিভিন্ন শেডে বা নানা রঙে কাচের শিশিতে পাওয়া যায়। ঘন পেস্টের আকারে শিশিতে সংরক্ষিত থাকে। রং শিশি থেকে বের করে পানি দিয়ে পরিমাণমতো তরল করে কাগজে ব্যবহার করা হয়। পোস্টার রং দিয়ে সাধারণত কাগজেই ছবি আঁকা হয়। একটু খসখসে জমিনের কাগজে পোস্টার রং ব্যবহার করতে সুবিধা। ছবিতে উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে একাধিক তুলি এবং যথাসম্ভব পরিষ্কার পানি ব্যবহার করা উচিত। পোস্টার রং দিয়ে যে কোনো ধরনের ছবি আঁকা সম্ভব

 

অ্যাক্রেলিক রং টিউব আকারে ছাড়াও কাচের এবং প্লাস্টিকের কৌটায় ছোট-বড় বিভিন্ন আকৃতিতে পাওয়া যায়। ঘন পেস্টের আকারে সংরক্ষিত এই রং পানি দিয়ে তরল করে ছবি আঁকা যায়। অ্যাক্রেলিক রং দিয়ে কাগজ, বোর্ড বা ক্যানভাস যে কোনোটিতেই ছবি আঁকা সম্ভব। এটিও মূলত অস্বচ্ছ রং। তবে পাতলা করে গুলিয়ে জল রঙের মতো ব্যবহার করা চলে। রং খুব দ্রুত শুকিয়ে যায় বলে তাড়াতাড়ি ছবি আঁকা যায়। ফলে শিল্পীদের কাছে এ সময়ে অ্যাক্রেলিক রং খুবই প্রিয় একটি মাধ্যম। অ্যাক্রেলিকে সব রং-ই পাওয়া যায়। বাজারে প্লাস্টিক রং নামে যে রং পাওয়া যায় সেটিও মূলত অ্যাক্রেলিক। তবে তা অ্যাক্রেলিক রং থেকে অপেক্ষাকৃত তরল। প্লাস্টিক রং পানি মিশিয়ে আঁকতে হয

 

জলরং এর নাম শুনলেই বোঝা যায়, তা জল মিশিয়ে আঁকতে হয়। জলরং বাক্সে ছোট ছোট খোঁপে চারকোনা ট্যাবলেটের মতো থাকে। আলাদা আলাদা ট্যাবলেট অবস্থায়ও পাওয়া যায়। তবে টিউবের মধ্যে পেস্টের মতো অবস্থায়ও জলরং তৈরি হয়ে থাকে। জলরং ও পোস্টার রং কাছাকাছি হলেও গুণগত দিক থেকে অনেকটা ভিন্ন। জলরং স্বচ্ছ ও পাতলা। একটি রঙের ওপর আরেকটি রং দিয়ে আগের রংটি ঢেকে দেয়া যায় না। স্বচ্ছ হওয়ার কারণে দুটো রং মিলে অন্য একটি রং হয়। জলরং সাধারণত কাগজের ওপর ব্যবহার করা হয়ে থাকে। জলরং ছবি আঁকার জন্যে একটু মোটা ও খসখসে জমিনের কাগজ সবচেয়ে উপযোগী। আমাদের দেশে যে মোটা কার্টিজ পাওয়া যায় তাতে জলরঙে আঁকা যেতে পারে। যাদের পক্ষে সম্ভব তারা হ্যান্ডমেড কাগজ বা উন্নত ধরনের কাগজ জোগাড় করে 

Comments