আকাশ' প্রবন্ধে আকাশ সম্পর্কে নানা তথ্য উঠে এসেছে

S
sohel5454
আকাশ' প্রবন্ধে আকাশ সম্পর্কে নানা তথ্য উঠে এসেছে। আধুনিক যুগে আকাশ সম্পর্কে প্রাচীন মানুষের যে ধারণা ছিল তা পাল্টে গিয়েছে। আকাশের নীল চাঁদোয়াটা মূলত গ্যাসভর্তি ফাঁকা জায়গা। হরহামেশা আমরা বিজ্ঞানের আবিষ্কৃত তথ্যের মাধ্যমে মানুষ জানতে পেরেছে বলেই আকাশ সম্পর্কে ধ্যান-ধারণা সঠিক ও আধুনিক হয়েছে। পাশাপাশি বিজ্ঞানের

যে আকাশ দেখি তা হলো বায়ুমণ্ডলের নানান বর্ণহীন গ্যাসের মিশেল। কিন্তু অতীতে আকাশ সম্পর্কে মানুষের ধারণা এমন ছিল না। প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে তিনি আধুনিক ধারার চিকিৎসায় তেমন বিশ্বাসী নন। এর সাথে আকাশ সম্পর্কে আগেরকার দিনের মানুষের ভাবনার তুলনা করা যায়। তারা ভাবত আব্বশটা পরতে পরতে ভাগ করা। অর্থাৎ রফিক সাহেবের মধ্যে 'আকাশ' প্রবন্ধের সনাতন ধারণাকে পুষে রাখার 

মহাকাশযান, যা চাদে অবতরণ 'আকাশ' প্রবন্ধের সমগ্রভাবলে ধারণ করেনি"— মন্ত্রবাতি করে। এটি অ্যাপোলো প্রোগ্রামের পণ্যম মহাকাশ অভিযাত্রা যাতে নভোচারীরা অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দের ১৬ জুলাই এই অভিযানের সূচনা হয়। এই অভিযানে অংশ নেন দলপতি নিল আর্মস্ট্রং, কমান্ড মডিউল চালক মাইকেল কলিন্স এবং চন্দ্র অবতরণমানের চাক এডুইন অল্ড্রিন জুনিয়র। ২০ জুলাই আর্মস্ট্রং ও অচিন প্রথম মানুষ হিসাবে প্রবন্ধে। চাঁদে পা রাখেনজলীয়বাষ্প' মি. দূরদেশের সঙ্গে যোগাযোগ অনেক সহজ হয়েজলীয়বাষ্প' হলো পানির বায়বীয় অবস্থা। মহাকাশযানের কল্যাণে দূরদেশের সঙ্গে যোগাযোগ অনেক সহ হয়ে উঠেছে।বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য মানুষ পৃথিবী থেকে দেড়শ-দুশো মাইল উপরে নানা ধরনের মহাকাশযান পাঠিয়েছে। এসব মহাকাশযান থেকে টেলিফোন ও টেলিভিশনের সংকেত পাঠানো হচ্ছে। ফলে দূরদেশের সঙ্গে যোগাযোগ আজ অনেক সহজ হয়েছে

বিজ্ঞানের অগ্রগতি ও অবদানের বিষয়টি 'আকাশ' প্রবন্ধে স্থান পেয়েছে, যার সঙ্গে উদ্দীপকের মিল রয়েছে। ‘আকাশ' প্রবন্ধে বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব অগ্রগতির বিষয়টি ফুটে উঠেছে। মহাশূন্যে আজ মানুষ মহাকাশযান প্রেরণ করেছে। বিজ্ঞানের জয়যাত্রারফলে দূরদেশের সঙ্গে যোগাযোগ আজ সহজ হয়ে উঠেছে। বিজ্ঞানের

কল্যাণে মানুষের জীবনযাত্রা বদলে গেছে। বিজ্ঞানের জয়যাত্রার ফলে মানুষের চাঁদে যাওয়ার বিষয়টি ফুটে উঠেছে। বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মানুষ চাঁদে মহাকাশযান প্রেরণ করতে সক্ষম হয়েছে। প্রথমে মনুষ্যবিহীন যান পাঠালেও ১৯৬৯ সালে মানুষ প্রথম চাঁদে অবতরণ করে। মানুষের চাঁদে অবতরণেরসাথে সাথে রচিত হয় নতুন ইতিহাস। বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানের জয়গান ধ্বনিতহয আকাশ' প্রবন্ধে উল্লিখিত বিজ্ঞানের অগ্রগতি ও অবদানেরএবং গবেষণাই বিজ্ঞানের জগতে ব্যাপক পরি এনে ছিদ্দীক এবং আকাশ' প্রবন্ধের আলোকে উত্তিটি যথার্থ। বিজ্ঞানের কল্যাণে আধুনিক হয়ে উঠছে পৃথিবী। দিয়ে বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক ম্যান-ধারণা এবং নিত্য নতুন গবেষ বিজ্ঞানের কে অবিশ্বাস্য সাফল্য এনে দিয়েছে। সনাতন চিকিৎসা পরতিকে আঁকড়ে ধরে থাকলেও তাঁর পুত্র সুমন সাহের চিকিৎসাক্ষেত্রে আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করেন। সুমন সাহের রোগীর রোগ নির্ণয়ে আলট্রাসনোগ্রাফি, ইসিজি, এক্স-রে ইত্যাদি নানারকম পদ্ধতি অনুসরণ করেন।

জগতে মানুষ লাভ করেছে অধাগতি। অর্থাৎ উদ্দীপক ও আকাশ প্রবশে দেখা যায়, আধুনিক ধ্যান-ধারণা আকাশ সম্পর্কে মানুষের চিন্তাকে যেমন পাল্টে দিয়েছে, তেমনি আধুনিক গবেষণা চিকিৎসাক্ষেত্রে এনেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। 

Comments